
দিল্লিতে বন্ধ হচ্ছে একের পর এক মদের দোকান। ব্যবসা ঠিকমতো না চলায় ও নতুন আবগারি নীতির কারণে ইতিমধ্যেই মদের দোকান বন্ধ হয়েছে। জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০০ মদের দোকানে তালা পড়েছে।
গত বছর ২০২১-২২ আবগারি নীতিতে মোট ৮৪৯টি মদের দোকানে লাইসেন্স জারি করেছিল কেজরিওয়াল সরকার। কিন্তু চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত মাত্র ৬৩৯টি দোকান খোলা থাকতে দেখা যায়। আবগারি দফতর তার ওয়েবসাইটে শেয়ার করা খুচরা মদের দোকানের নতুন তালিকা অনুসারে, জুন মাসে এই সংখ্যা ৪৬৪-তে নেমে এসেছে।
২০২১-২২-এর আবগারি নীতি ৩১ মে শেষ হয়েছিল। তবে দিল্লি সরকার সেই সরকার সেই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল দুই মাসের জন্য। মদ ব্যবসায়ীদের দাবি, অনেক দোকানদার তাঁদের লাইসেন্সের মেয়ার আর বাড়াননি। বরং দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ তাঁরা আগে থেকেই লাইসেন্স ফি বেশি দিচ্ছিলেন। মদের উপর ব্যাপক ছাড় দেওয়ায় লোকসানও হয়েছে। তাই দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।
এক মদ ব্যবসায়ী জানান, দোকান বন্ধের অনেক কারণ ছিল। যেমন মদের উপর ছাড়, নতুন ব্র্যান্ডের আবির্ভাবের কারণে প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। এখনকার আবগারি নীতির অধীনে, প্রতিটি লাইসেন্সধারীকে প্রতিটি পৌরসভার ওয়ার্ডে তিনটি দোকান খুলতে হবে।
আবগারি দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ২৭২টি পৌরসভার ওয়ার্ডের মধ্যে ১০০টি বেআইনিভাবে চলছিল। সেই কারণে তারা দোকানগুলি খুলতে পারেনি।
এই দোকান বন্ধ হওয়ার পিছনে 'বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি' স্কিম অনেকটাই দায়ি বলে মত মদ ব্যবসায়ীদের। একজন মদ ব্যবসায়ী বলেন, খুচরো বিক্রেতাদের ভোক্তাদের ছাড় দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার পরে, কিছু বড় সংস্থা 'বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি' স্কিম চালু করে নতুন ব্র্যান্ডের প্রচার করেছে। যাতে লোকসান হয়েছে ব্যবসায়ীদে।