Advertisement

LPG Shortage: রান্নার গ্যাসের সঙ্কট? মুম্বইয়ে একাধিক রেস্তোরাঁ বন্ধ, আরও ঝাঁপ নামানোর তোড়জোড়

LPG সঙ্কট নিয়ে আতঙ্ক ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। মুম্বইয়ে একের পর এক রেস্তোরাঁ বন্ধ হওয়ার খবর মিলছে। গ্যাস সরবরাহের সমস্যার কারণে শহরের প্রায় ২০% হোটেল ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

Aajtak Bangla
  • মুম্বই,
  • 10 Mar 2026,
  • अपडेटेड 9:58 AM IST
  • প্রায় ২০% হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ মুম্বইয়ে
  • LPG সঙ্কট নিয় আশঙ্কা ক্রমশই তীব্র হচ্ছে
  • গ্যাস সাপ্লাই নিয়ে কী জানাচ্ছে হোটেল অ্যাসোসিয়েশন?

যুদ্ধের আবহে দেশজুড়ে LPG সঙ্কট নিয়ে আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে। মুম্বই হোটেল অ্যাসোসিয়েশন 'আহার' জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহের সমস্যার কারণে শহরের প্রায় ২০% হোটেল ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। 

মুম্বই হোটেল অ্যাসোসিয়েশন 'আহার'-এর মতে, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে মুম্বইয়ের প্রায় ৫০% হোটেলের ঝাঁপ বন্ধ হতে পারে। কারণ গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে বলেই দাবি তাদের। 

অ্যাসোসিয়েশন আরও জানিয়েছে, কোন হোটেল চালু থাকবে আর কোনটি বন্ধ হবে তা নির্ভর করবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বর্তমানে কতটা গ্যাস মজুত রয়েছে তার উপর। 

'আহার' স্পষ্ট করে জানিয়েছে, হোটেল বন্ধ করার জন্য অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। হোটেল খোলা রাখা বা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ভাবে পৃথক হোটেল মালিকদের উপর নির্ভর করবে। 

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে বেড়েছে গেরস্থালি ও বাণিজ্যিক LPG সিলিন্ডারের দাম। আরও দুশ্চিন্তা তৈরি করল মুম্বই হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের এই বিবৃতি। LPG ডিলারদেরও আশঙ্কা, বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডার সরবরাহের উপরে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য লাগাম টানছে তেল সংস্থাগুলি। অর্থাৎ, হোটেল, রেস্তোরাঁ, কারখানার মতো যে সব জায়গায় বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ হয়, সেগুলি আপাতত সরবরাহ থমকে যেতে পারে। ব্যতিক্রম হিসেবে ছাড় দেওয়া হবে শুধুমাত্র হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

অর্থাৎ, রোগীদের জন্য খাবার এবং স্কুল-কলেজ ক্যান্টিন বাদে আপাতত আর কোনও জায়গাতেই চাহিদামতো বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহে টান পড়তে পারে। এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হবে বলেই আশঙ্কা। হোটেল, রেস্তোরাঁর রোজকার ব্যবসায় বড় রকমের ধাক্কা লাগতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই সব জায়গায় খাবারের দামও বাড়তে পারে। 

তবে দিন কয়েক আগে কেন্দ্রের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, ভারতে এখনও যে পরিমাণ তেল মজুত আছে, তাতে শক্তিক্ষেত্রে দৈনন্দিন চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় কোনও ফারাক নেই। ফলে গ্রাহকদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement