Advertisement

Mahakumbh Stampede: 'ব্রহ্ম মুহূর্তের অপেক্ষা করছিলেন পুণ্যার্থীরা, তখনই...', ৩০ জনের মৃত্যুর কারণ জানালেন DIG

ভিভিআইপি-দের আয়োজন করতেই প্রশাসন ব্যস্ত ছিল বলে অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। সেই অভিযোগ নস্যাৎ করেন বৈভব কৃষ্ণ।

মহাকুম্ভে পদপিষ্টে মৃত ৩০, জানাল প্রশাসনমহাকুম্ভে পদপিষ্টে মৃত ৩০, জানাল প্রশাসন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 29 Jan 2025,
  • अपडेटेड 7:52 PM IST
  • ভিভিআইপি-দের আয়োজন করতেই প্রশাসন ব্যস্ত ছিল বলে অভিযোগ করেছে বিরোধীরা।
  • সেই অভিযোগ নস্যাৎ করেন বৈভব কৃষ্ণ।

মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভে পদপিষ্টের ঘটনা নিয়ে মুখ খুলল প্রশাসন। মহাকুম্ভমেলার ডিআইজি বৈভব কৃষ্ণ জানালেন, পদপিষ্ট হয়ে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে।  রাত ২টোর দিকে সঙ্গমের কাছে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। ৩০ জন পুণ্যার্থী নিহত হয়েছে বলে জানালেন ডিআইজি বৈভব কৃষ্ণ। সেই সঙ্গে তিনি এও স্পষ্ট করেন, কীভাবে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। বৈষ্ণব কৃষ্ণ বলেন,'ব্রহ্ম মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছিলেন পুণ্যার্থীরা। ঠিক তখনই হঠাৎ কিছু ভক্ত দর্শনের জন্য হাজির হন। পিছন থেকে আসা ভিড়ের কারণে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে।

ভিভিআইপি-দের আয়োজন করতেই প্রশাসন ব্যস্ত ছিল বলে অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। সেই অভিযোগ নস্যাৎ করেন বৈভব কৃষ্ণ। তিনি জানান, ২৯ জানুয়ারি কোনও 'ভিভিআইপি মুভমেন্ট' ছিল না। আগামী শাহি স্নানেও ভিভিআইপি-দের অনুমতি দেওয়া হবে না'। কীভাবে ঘটনা ঘটল, তা সবিস্তারে জানিয়েছেন ডিআইজি। তাঁর কথায়,'মৌনী অমাবস্যায় মহাকুম্ভের মূল স্নান ছিল। বেলা ক্ষেত্রে আখড়া মার্গে ছিল প্রচণ্ড ভিড়। পুণ্যার্থী অন্যদিকে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মোট ৯০ জনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ৩০ জন মারা গিয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। আহতদের বিষয়ে তথ্যের জন্য ১৯২০ নম্বরে একটি হেল্পলাইন জারি করা হয়েছে'।

বলে রাখি, রাত প্রায় ২টোয় কুম্ভমেলায় পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। নিয়ন্ত্রণ হারায় ভিড়। ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুল্যান্স। দুর্ঘটনার পর স্থগিত করা হয় অমৃত স্নান। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সমস্ত আখড়া অমৃত স্নানে অংশ নেয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৬ কোটি ভক্ত অবগাহন করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হল সঙ্গমে ভক্তদের সংখ্যা হঠাৎ বৃদ্ধি। সকলেই ভোর ৩টেয় ব্রহ্ম মুহূর্তে শাহি স্নান করতে চেয়েছিলেন। আহতদের মেলা এলাকায় নির্মিত কেন্দ্রীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকের আত্মীয়স্বজনও পৌঁছে গিয়েছেন সেখানে। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে প্রশাসন সব ধরনের সহাযোগিতা করছে বলছে জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে চারবার ফোনে কথা হয় তাঁর। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement