Advertisement

Monkeys in Vrindavan: 'চোর' বাঁদররা রাষ্ট্রপতি মুর্মুর চশমা টার্গেট করেছে? পাল্টা হনুমান নামাল বৃন্দাবন, কীরকম?

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ১৯ মার্চ থেকে তিন দিনের মথুরা-বৃন্দাবন সফরে করবেন। রাষ্ট্রপতি প্রেম মন্দির, ইসকন এবং গোবর্ধন পরিক্রমা সহ বিভিন্ন আশ্রম পরিদর্শন করবেন। এবার কেবল মানুষই নয়, বৃন্দাবনের দুষ্টু দররাও রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা বেষ্টনীর জন্য এক বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি এমন যে, আধিকারিকরা আশঙ্কা করছেন কোনও বাঁদর হয়তো রাষ্ট্রপতির চশমা বা জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিতে পারে।

 বৃন্দাবনে বাঁদরদের শায়েস্তা করতে অভিনব কৌশল বৃন্দাবনে বাঁদরদের শায়েস্তা করতে অভিনব কৌশল
Aajtak Bangla
  • বৃন্দাবন,
  • 17 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:04 PM IST


উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলার বৃন্দাবনে বাঁদরদের উপদ্রব দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রস্তাবিত সফরের কারণে এই 'চশমা-চোর' বাঁদরদের সামলান প্রশাসনের কাছে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।

বাঁদররা  ঝাঁপিয়ে পড়ে চশমা ছিনিয়ে নেয়
বৃন্দাবনের বাজার ও মন্দিরগুলোর আশেপাশে সক্রিয় বাঁদরের দল  বিশেষ করে চশমা পরা মানুষদের টার্গেট করে। তারা এক ঝটকায় ভক্তদের চশমা ছিনিয়ে নেয় এবং তার বিনিময়ে খাবার বা পানীয়, বিশেষ করে ফ্রুটির প্যাকেট দাবি করে। এই অদ্ভুত লেনদেনটি এখানে একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছে।

বাঁদরদের কার্যকলাপের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন
১৯  মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া রাষ্ট্রপতির তিন দিনের সফরকালে নিরাপত্তা এজেন্সিগুলো যেকোনও ধরনের অসুবিধা এড়াতে সজাগ রয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি বৃন্দাবনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো—উড়িয়া বাবা আশ্রম, রামকৃষ্ণ মিশন সেবা চ্যারিটেবল হাসপাতাল—পরিদর্শন করবেন এবং ২১  মার্চ গোবর্ধন প্রদক্ষিণ করবেন। তাই বাঁদরদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি  হয়ে পড়েছে।

যদি বাঁদরদের সুরক্ষার আওতায় আনা সম্ভব না হয়, তাহলে...
পূর্বে, এই ধরনের পরিস্থিতিতে বাঁদর তাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষিত হনুমান মোতায়েন করা হতো, কিন্তু এখন বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনের অধীনে তা আর সম্ভব নয়। তাই এবার প্রশাসন একটি নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে, হনুমানের কাটআউট। মনে করা হয় যে বাঁদর হনুমানকে ভয় পায়, তাই তাদের মতো দেখতে কাটআউট রেখে বাঁদরদের দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সঙ্গে গুলতি, লাঠি এবং লেজার লাইট
এছাড়াও, বন দফতরের প্রায় ৩০ সদস্যের একটি দল মোতায়েন করা হয়েছে। এই কর্মীরা গুলতি, লাঠি এবং লেজার লাইটের মতো সরঞ্জাম দিয়ে সংবেদনশীল এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন। যেকোনও পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য, যেসব এলাকায় বাঁদরের আনাগোনা বেশি, সেখানে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হবে। প্রশাসন আশা করছে যে, রাষ্ট্রপতির সফরকালে এই পদক্ষেপগুলো যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করবে।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement