Advertisement

৮৫৮ কোটির চুক্তিতে সই প্রতিরক্ষামন্ত্রকের, ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌসেনার বিমানে এবার নয়া প্রযুক্তি

ভারতের এই ‘ওয়ার-প্রুফ’ প্রস্তুতি শত্রু শিবিরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলার জন্য যথেষ্ট। বিড়লা-রাজের মতো বড় করপোরেট হাউজগুলো যেমন ব্যবসায়িক সুরক্ষায় জোর দেয়, দেশও এখন একইভাবে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনও আপস করতে নারাজ।

The govt signed a contract under the “Buy Indian” category with 100% indigenous content for the maintenance of the Navy’s P-8I fleet. (File photo/Representative)The govt signed a contract under the “Buy Indian” category with 100% indigenous content for the maintenance of the Navy’s P-8I fleet. (File photo/Representative)
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 27 Mar 2026,
  • अपडेटेड 8:12 PM IST

India Defence Ministry 858 crore deal 2026: বিশ্বজুড়ে ঘনিয়ে আসা যুদ্ধের কালো মেঘ আর ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কয়েক গুণ শক্তিশালী করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। শুক্রবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে প্রায় ৮৫৮ কোটি টাকার এক গুচ্ছ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যার মূল লক্ষ্য হলো দেশের মিসাইল সিস্টেম বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর নজরদারি বিমানগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন।

যখন আন্তর্জাতিক সীমান্তে টানাপড়েন তুঙ্গে, তখন ভারতের এই ‘ওয়ার-প্রুফ’ প্রস্তুতি শত্রু শিবিরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলার জন্য যথেষ্ট। বিড়লা-রাজের মতো বড় করপোরেট হাউজগুলো যেমন ব্যবসায়িক সুরক্ষায় জোর দেয়, দেশও এখন একইভাবে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনও আপস করতে নারাজ।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, এই ৮৫৮ কোটি টাকার সিংহভাগ ব্যয় করা হবে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির উন্নয়নে। বিশেষ করে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাইল সিস্টেমগুলিকে আরও নিখুঁত ও ঘাতক করে তোলাই সেনার উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি নৌবাহিনীর পি-এইট আই (P-8I) নজরদারি বিমানগুলির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি বড় অংকের চুক্তি হয়েছে। সমুদ্রসীমায় নজরদারি চালানো এবং শত্রু সাবমেরিন খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে এই বিমানগুলি ভারতীয় নৌসেনার তুরুপের তাস। মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের অধীনে দেশীয় সংস্থাগুলিকে এই কাজের বরাত দিয়ে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ডাক দিয়েছে কেন্দ্র। ২০২৬-এর এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি কেবল প্রয়োজন নয়, বরং বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিপুল বিনিয়োগ সেনার মনোবল যেমন বাড়াবে, তেমনই কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্তও খুলে দেবে। এর আগে ব্রহ্মস বা তেজসের মতো দেশীয় সমরাস্ত্র বিশ্ববাজারে ভারতের মান বাড়িয়েছে, এবার এই নতুন চুক্তিগুলি সেই সাফল্যের মুকুটে আরও একটি পালক যোগ করল। চৈত্র সেলের ভিড় আর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের ধুলোবালির মাঝে দেশের এই সামরিক উন্নতির খবর আপামর ভারতবাসীর মনে গর্ব ও সুরক্ষার আশ্বাস জোগাচ্ছে। দিল্লির সাউথ ব্লক থেকে আসা এই খবর স্পষ্ট করে দিল যে, জল-স্থল বা অন্তরীক্ষ, ভারতের আকাশ বা সীমান্ত স্পর্শ করার দুঃসাহস দেখালে তার যোগ্য জবাব দিতে প্রস্তুত জওয়ানরা।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement