
নিক্কি যাদব হত্যাকাণ্ডে নতুন ঘটনা। দিল্লি পুলিশের সূত্রে খবর, মামলার প্রধান অভিযুক্ত সাহিল গেহলট এবং নিকি ২০২০ সালের অক্টোবরে নয়ডার একটি মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন। সাহিলের পরিবার তাঁদের বিয়েতে খুশি ছিল না। এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই বিয়েতে অসন্তুষ্ট সাহিলের পরিবার তার বিয়ে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে অন্যত্র ঠিক করে। এবং তা নিক্কির পরিবারের কাছে গোপন করে। সাহিল আগেই বিয়ে করেছিল নিকিকে। অর্থাৎ নিকির সঙ্গে তার বিয়ের কথা জানত সাহিলের পরিবার।
পুলিশ বিয়ের সার্টিফিকেট পেয়েছে
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সাহিল এবং নিক্কি ২০২০ সালের অক্টোবরে নয়ডার আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন। রিমান্ডে দিল্লি পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের পর সাহিল ও নিকির বিয়ের সার্টিফিকেটও উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক সাহিলের বাবা ও দুই ভাই
সূত্রের খবর, সাহিলের সঙ্গে হত্যার ষড়যন্ত্রে তার পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরাও জড়িত ছিল। ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল প্রথমে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং পরে গ্রেফতার করে। বাবা বীরেন্দ্র ও দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এ ঘটনায় সাহিলের দুই বন্ধুকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হত্যার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন সাহিল
সাহিল গেহলট তার লিভ-ইন পার্টনার নিকি যাদবকে খুন করেছিলেন। অভিযুক্ত সাহিল নিকিকে হত্যার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করে এবং পরদিন ফিরে এসে নিকির লাশ ফ্রিজে রাখে।
ডাটা কেবল দিয়ে শ্বাসরোধ
এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি সাহিলের ধাবার ফ্রিজ থেকে নিকির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে যে ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে সাহিল নিকিকে তার গাড়িতে ডাটা কেবল দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর লাশ গাড়ির সামনের সিটে রাখা হয়। দিল্লির রাস্তায় ৪০ কিলোমিটার ঘোরার পরও দেহটি কোথায় ফেলতে পারেনি সাহিল। এরপর ধাবার ফ্রিজে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়। গত ১০ ফেব্রুয়ারি পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছায় সাহিলের বিয়ে হয়।