
তৃণমূল-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে মাঝে মাঝে শুদ্ধিকরণ কর্মসূচির কথা শোনা যায়। এবার সেই বিজেপিতেও সেই একই স্ট্র্যাটেজি প্রয়োজন বলে মনে করছেন নীতিন গড়করি। মুম্বই তককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিজেপির বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরাসরি কথা বলেন। আর সেখানেই তিনি দলে 'কীটনাশক' ব্যবহারের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।
নীতিন গড়করি বলেন, বিভিন্ন দলের নেতা ও কর্মীরা বিজেপিতে আসছেন। বলেন, 'বিজেপি কর্মীদের দল। নতুন যাঁরা আসছেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, আদর্শ শেখানো এবং দলের অংশ করে তোলা আমাদের দায়িত্ব। সেই প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। হাজার হাজার কর্মী কঠোর পরিশ্রম করছেন, তবে কখনও কখনও একজন কর্মীর ভুলে তাঁদের সকলের পরিশ্রম নষ্ট হয়ে যায়।'
নীতিন গড়করি আরও বলেন, 'আমাদের দেশে মতের অমিলটা কোনও সমস্যা নয়, বরং চিন্তার অভাবই সমস্যা। সুবিধাবাদী রাজনীতি নয়; আদর্শের রাজনীতিটাই আসল।'
বিজেপিতে অন্য দল থেকে আসা নেতাদের কারণে সমস্যাও দেখা দেয় বলে মনে করছেন গড়করি। তিনি বলেন, 'ফসল বাড়লে রোগও বাড়ে। বিজেপিতে প্রচুর ফসল আছে, তাই এর সঙ্গে কিছু রোগও আসে। তাই এই ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের জন্য কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়।'
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলে বিজেপির ফল যথেষ্ট খারাপ হয়েছিল। একসময় এই কেন্দ্রই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত ছিল। কিন্তু তার মধ্যেও শুধু নীতিন গড়করিই তাঁর আসন ধরে রাখতে পেরেছেন। এই পরাজয়ের পর বিজেপি সভাপতি জে.পি. নাড্ডা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মহারাষ্ট্রের নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন।তবে সেই সময় গড়করি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
এই বিষয়ে গড়করি বলেন, 'মহারাষ্ট্রে আমার কোনও ভূমিকা নেই, এখানকার নেতারা যথেষ্ট অভিজ্ঞ। তাঁদের আমাকে দরকার নেই। তবে প্রয়োজনে আমি তাঁদের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত।'