Advertisement

Nitin Nabin: বিজেপির নতুন জাতীয় সভাপতি হচ্ছেন নীতিন নবীন, মাত্র ৪৫ বছর বয়সেই পদ্মচূড়ায়

বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচিত হতে চলেছেন নীতিন নবীন। কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে চলেছেন। সোমবার জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া ছিল। সেখানে নিজের নাম জমা দিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, কোনও বিরোধী প্রার্থী নেই। তাই নীতিন নবীনের নাম ঘোষণা খালি সময়ের অপেক্ষা।

ইনিই বিজেপির সর্বকালের কনিষ্ঠতম সর্বভারতীয় সভাপতি হবেন।ইনিই বিজেপির সর্বকালের কনিষ্ঠতম সর্বভারতীয় সভাপতি হবেন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Jan 2026,
  • अपडेटेड 8:17 PM IST
  • বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচিত হতে চলেছেন নীতিন নবীন।
  • সোমবার জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া ছিল।
  • ইনিই বিজেপির সর্বকালের কনিষ্ঠতম সর্বভারতীয় সভাপতি হবেন।

বিজেপির জাতীয় সভাপতি হতে চলেছেন নীতিন নবীন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। সোমবার জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া ছিল। সেখানে নিজের নাম জমা দিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, কোনও বিরোধী প্রার্থী নেই। তাই নীতিন নবীনের নাম ঘোষণা খালি সময়ের অপেক্ষা। ইনিই বিজেপির সর্বকালের কনিষ্ঠতম সর্বভারতীয় সভাপতি হবেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ৩০টিতে রাজ্য সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এরপরই বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের সূচনা হয়। দলের সংবিধান অনুযায়ী ন্যূনতম ৫০ শতাংশ রাজ্যে এই নির্বাচন হওয়া আবশ্যিক। সেই শর্ত পূরণের পরই ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ নির্বাচনী সময়সূচির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। একই সঙ্গে প্রকাশিত হয় ভোটার তালিকাও।

নীতিন নবীনকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বিজেপির 'টপ বস'রা।

সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২টো থেকে ৪টের মধ্যে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল। এই সময়ের মধ্যেই জাতীয় সভাপতি পদে নীতিন নবীনের পক্ষে মোট ৩৭ সেট মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। তার মধ্যে ৩৬টি মনোনয়ন এসেছে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। একটি মনোনয়ন জমা দিয়েছে বিজেপির সংসদীয় দল। প্রতিটি মনোনয়নপত্রেই ২০ জন করে প্রস্তাবকের স্বাক্ষর রয়েছে। যাচাইয়ের পর সমস্ত মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হয়েছে। আপাতত জাতীয় সভাপতি পদে একমাত্র নাম হিসেবে নীতিন নবীনের নামই চূড়ান্ত। ফলে ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়ছে না বলেই জানা গিয়েছে। যদিও দলীয় সূচি অনুযায়ী প্রয়োজনে ২০ জানুয়ারি ভোট হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে নীতিন নবীনের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে ২০ জানুয়ারি।

সোমবার দিনভর বিজেপি সদর দফতরে ছিল তুমুল ব্যস্ততা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জেপি নাড্ডা এবং নিতিন গডকড়ির মতো শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও সংসদীয় দলের তরফে মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন। 

বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর বলেন, নীতিন নবীনের জাতীয় সভাপতি হওয়া শুধু দলের জন্য নয়, দেশের পক্ষেও গর্বের বিষয়। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেন-জি প্রজন্মের কাছেও রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বার্তা পৌঁছেছে। অর্থাৎ রাজনীতিতে মেধা থাকলে যে অল্প বয়সেও গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়া সম্ভব, সেই বার্তাই দিতে চাইছে বিজেপি।

Advertisement

এদিকে নীতিন নবীনের স্ত্রী দীপমালা জানিয়েছেন, এটা তাঁদের পরিবারের কাছে অত্যন্ত আনন্দের মুহূর্ত। তাঁর কথায়, দিনের পর দিন পরিশ্রম, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও কাজ চালিয়ে গিয়েছেন নীতিন। তার ফল আজ মিলেছে।

দলীয় সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় পরিষদ ও রাজ্য পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত নির্বাচকমণ্ডলীর মাধ্যমে বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচিত হন। কমপক্ষে পাঁচটি রাজ্য থেকে যৌথ প্রস্তাব আসা বাধ্যতামূলক।

নীতিন নবীন বিহারের পাঁচ বারের বিধায়ক। ২০১০ সাল থেকে একটানা বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ২০০৬ সালে প্রথমবার পটনা পশ্চিম থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। সংগঠক হিসেবে দলের অন্দরে তাঁর সুপরিচিতি রয়েছে। সম্প্রতি তাঁকে বিজেপির জাতীয় কার্যকরী সভাপতি করা হয়েছিল। এবার তিনি দলের দ্বাদশ জাতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বেই আগামিদিনে দলের সংগঠন ও রাজনৈতিক কৌশলের নতুন রূপরেখা তৈরি হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Read more!
Advertisement
Advertisement