
বিহারের রাজনীতিতে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিত। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার সদস্য হতে চলেছেন নীতীশ কুমার। সংসদের উচ্চকক্ষে মনোনয়নের জন্য তিনি প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন, নীতীশের বিদায়ের পরে কে হবেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী?
JDU সূত্রে খবর, নীতীশ কুমার কাল বৃহস্পতিবার রাজ্য়সভার সাংসদ হওয়ার জন্য মনোনয়ন জমা দেবেন। দলের তরফে সেই সমস্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে। কোনও কোনও সূত্রের এমনও দাবি, আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ ছাড়তে পারেন নীতীশ। ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনিই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রীর আসনে।
২০২৫ সালে বিহারের বিধানসভা ভোটে বিহারে সবথেকে বেশি আসন পেয়েছিল বিজেপি। তাদের জোটসঙ্গী জেডিইউ পেয়েছিল ৮৫ আসন। এনডিএ-র সেই জোটে ছিল চিরাগ পাসওয়ান ও জিতন রাম মাঞ্জির দল। সেই জোটই সরকার গঠন করে। সর্ব সম্মতিক্রমে মুখ্যমন্ত্রী করা হয় নীতীশকে।
নীতীশের পর কে মুখ্যমন্ত্রী?
সূত্রের খবর, নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন। তাঁকে করা হতে পারে উপ-মুখ্যমন্ত্রী। ভারতীয় সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি কখনও দুই আইনসভার সদস্য হতে পারেন না। নীতীশ বর্তমানে বিহার বিধানসভার সদস্য। ফলে তিনি সেখান থেকে ইস্তফা না দিয়ে রাজ্যসভায় যেতে পারবেন না। এবার তিনি যদি সংসদের উচ্চকক্ষে যান তাহলে তাঁকে বিধানসভায় পদত্যাগ করতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ মানে পুরো মন্ত্রী পরিষদের পদত্যাগ
মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে যদি নীতীশ কুমার পদত্যাগ করেন তাহলে এর অর্থ গোটা মন্ত্রী পরিষদের পদত্যাগ। অতএব, সেই পদটি শূন্য হওয়ার পর ক্ষমতাসীন জোট (এনডিএ)-কে আবার একজন নতুন নেতা নির্বাচন করতে হবে। সেই নেতা বিজেপি বা জেডিইউ-এর হতে পারেন।
এদিকে সূত্রের দাবি, JDU-র নেতাদের একটা বড় অংশ চাইছে, নীতীশ কুমার যেন রাজ্যসভায় না যান। তাঁদের দাবি, নীতীশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়া উচিত।