Advertisement

Zubin Garg Death: কোনও যড়যন্ত্র নয়, জুবিনের তাহলে ঠিক কী কারণে মৃত্যু? জানাল সিঙ্গাপুর পুলিশ

গত সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের লাজারাস দ্বীপের কাছে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যুর সময় ভারতীয় গায়ক-গীতিকার জুবিন গর্গ মারাত্মকভাবে মদ্যপ ছিলেন। বুধবার সিঙ্গাপুর পুলিশ করোনার আদালতে এমনটাই জানিয়েছে। পুলিশের তদন্তে কোনও রকম অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 14 Jan 2026,
  • अपडेटेड 6:42 PM IST
  • গত সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের লাজারাস দ্বীপের কাছে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যুর সময় ভারতীয় গায়ক-গীতিকার জুবিন গর্গ মারাত্মকভাবে মদ্যপ ছিলেন।
  • বুধবার সিঙ্গাপুর পুলিশ করোনার আদালতে এমনটাই জানিয়েছে।

গত সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের লাজারাস দ্বীপের কাছে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যুর সময় ভারতীয় গায়ক-গীতিকার জুবিন গর্গ মারাত্মকভাবে মদ্যপ ছিলেন। বুধবার সিঙ্গাপুর পুলিশ করোনার আদালতে এমনটাই জানিয়েছে। পুলিশের তদন্তে কোনও রকম অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

৫২ বছর বয়সি জুবিন গর্গ সিঙ্গাপুরে নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার একদিন আগে, ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর একটি বেসরকারি ইয়ট পার্টিতে অংশ নিতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন।

লাইফ জ্যাকেট খুলে ফেলা, দ্বিতীয়টি নিতেও অস্বীকার
আদালতে প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, জুবিন প্রথমে সাঁতার কাটার সময় লাইফ জ্যাকেট পরেছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে তিনি সেটি খুলে ফেলেন। পরে আবার জলে নামার সিদ্ধান্ত নিলে তাঁকে একটি দ্বিতীয়, তুলনামূলক ছোট লাইফ জ্যাকেট দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়, সেটিও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

চ্যানেল নিউজ এশিয়ার প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশ জানায়, 'লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই তিনি জলে নামেন এবং একাই লাজারাস দ্বীপের দিকে সাঁতার কাটতে শুরু করেন।'

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর জুবিন ইয়টে ফিরে আসার চেষ্টা করছিলেন। এরপরই তিনি হঠাৎ নিস্তেজ হয়ে জলে ভেসে ওঠেন।

উদ্ধার চেষ্টা ব্যর্থ
তৎক্ষণাৎ তাঁকে ইয়টে তুলে এনে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) দেওয়া হয়। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সেদিনই তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডুবে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। শরীরে যে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, সেগুলি উদ্ধার ও সিপিআর দেওয়ার সময়েরই বলে জানানো হয়েছে।

টক্সিকোলজি রিপোর্টে দেখা যায়, গর্গের রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ৩৩৩ মিলিগ্রাম, যা তীব্র নেশা, সমন্বয়হীনতা ও প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়। উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে আইনি সীমা প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ৮০ মিলিগ্রাম। এছাড়াও পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, জুবিনের হোটেল ঘর থেকে ৪৩ শতাংশ অ্যালকোহলযুক্ত ৭৫০ মিলিলিটার স্কচ হুইস্কির একটি বোতল উদ্ধার করা হয়েছে, যা প্রায় ২৫ শতাংশ ভর্তি ছিল। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement