
উত্তর সিকিম জুড়ে ফের ধস। সঙ্গে প্রবল বৃষ্টিপাত। আর এর জেরেই চুংথাং এলাকায় আটকে পড়লেন দেড়শো থেকে দু'শো পর্যটক।
উত্তর সিকিমের জেলাশাসক অনন্ত জৈন এএনআই-কে বলেন, 'গ্যাংটং থেকে লাচেনগামী রাস্তা, চুংথাং থেকে লাচেনগামী রাস্তাতেই ধস নেমেছে। ফলত সেখানে আটকে পড়েছে একাধিক পর্যটকের গাড়ি। শতাধিক পর্যটক আটকে রয়েছেন লাচেন যাওয়ার পথে।' তবে পর্যটকদের ITBP ক্যাম্প এবং নিকটবর্তী গুরুদ্বারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
প্রশাসন গোটা বিষয়টা নিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে। আবহাওয়ার আপডেট নিয়ে সতর্কও করা হচ্ছে পর্যটকদের। বিক্ষিপ্ত ভাবে তুমুল বৃষ্টির জেরে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩১ মার্চ পর্যন্ত উত্তর সিকিম জুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
চলতি মাসের শুরুতেই ভয়ঙ্কর বজ্রপাত সহ শিলাবৃষ্টির সাক্ষী থেকে এই উত্তর সিকিমই। প্যাংগং, গ্যাংটক এবং মঙ্গন জেলায় ব্যাপক দুর্যোগ চলে ক'দিন ধরে। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল। এর প্রভাব পড়বে পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতেও। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়িতেও ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।
রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ জানিয়েছিল, প্যাংগং জেলার অম্বা এলাকায় রোরাথাং-রঙ্গলি ট্রান্সমিশন ব্যাহত হয়েছিল। সে কারণেই রঙ্গিল এবং রেহনং এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল।
গ্যাংটক জেলাতে ঘন ঘন বজ্রপাত নামলি এলাকার মারচক-ম্যাকলেওডস ট্রান্সমিশন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। এর জেরে নিমতার, তোপাখানি এবং সিংটামে বিপর্যস্ত হয়েছিল বিদ্যুৎ পরিষেবা।