Advertisement

Samandar Chacha killed: খতম ‘হিউম্যান জিপিএস’ সমন্দর চাচা, জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকিয়েছিল ১০০ জঙ্গি

জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টরে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। কুখ্যাত সন্ত্রাসী এবং হিজবুল কমান্ডার বাগু খান ওরফে সমন্দর চাচা, যাকে সন্ত্রাসীদের জগতে ‘হিউম্যান জিপিএস’ নামে চেনে, এনকাউন্টারে খতম হয়েছে। ২৮শে আগস্ট রাতে নওশেরা নার এলাকায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে সে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 30 Aug 2025,
  • अपडेटेड 2:10 PM IST
  • জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টরে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী।
  • কুখ্যাত সন্ত্রাসী এবং হিজবুল কমান্ডার বাগু খান ওরফে সমন্দর চাচা, যাকে সন্ত্রাসীদের জগতে ‘হিউম্যান জিপিএস’ নামে চেনে, এনকাউন্টারে খতম হয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টরে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। কুখ্যাত সন্ত্রাসী এবং হিজবুল কমান্ডার বাগু খান ওরফে সমন্দর চাচা, যাকে সন্ত্রাসীদের জগতে ‘হিউম্যান জিপিএস’ নামে চেনে, এনকাউন্টারে খতম হয়েছে। ২৮শে আগস্ট রাতে নওশেরা নার এলাকায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে সে। সংঘর্ষে সমন্দর চাচা এবং তার সঙ্গে থাকা এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী নিহত হয়। পরের দিন সকাল পর্যন্ত চলেছে তল্লাশি ও গুলিবর্ষণ অভিযান।

১৯৯৫ সাল থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঘাঁটি গেড়ে থাকা সমন্দর চাচা গত তিন দশক ধরে গুরেজ সেক্টরের পাহাড়ি পথ ব্যবহার করে প্রায় ১০০টিরও বেশি অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে বলে গোয়েন্দাদের দাবি। এলাকার গোপন রুট সম্পর্কে তার অদ্ভুত জ্ঞানই তাকে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির কাছে অমূল্য করে তুলেছিল। যদিও তিনি হিজবুলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবুও প্রায় সব বড় সন্ত্রাসী সংগঠনকেই অনুপ্রবেশ পরিকল্পনায় সাহায্য করতেন। এ কারণেই সন্ত্রাসীরা তাকে ডাকত ‘হিউম্যান জিপিএস’।

নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, সমন্দর চাচার মৃত্যু সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর নির্ভর করেই অনুপ্রবেশ কার্যক্রম চালাত পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনগুলো। এই সাফল্যের ফলে সীমান্ত এলাকায় বহু সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement