Advertisement

Puri Temple Closed: রামনবমী উপলক্ষ্যে শুক্রবার বন্ধ পুরীর মন্দির, ফের দর্শন কবে থেকে শুরু?

বন্ধ থাকবে পুরীর মন্দির। বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ ২০২৬-এ ৫ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হবে পুরীর জগন্নাথ মন্দির। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একথা জানানো হয়। চৈত্র শুক্লা রামনবমী, শ্রী রাম জন্ম নীতির পুজো হবে। কতক্ষণ বন্ধ থাকবে মন্দির?

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরপুরীর জগন্নাথ মন্দির
Aajtak Bangla
  • পুরী,
  • 26 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:26 PM IST

বন্ধ থাকবে পুরীর মন্দির। বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ ২০২৬-এ ৫ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হবে পুরীর জগন্নাথ মন্দির। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একথা জানানো হয়। চৈত্র শুক্লা রামনবমী, শ্রী রাম জন্ম নীতির পুজো হবে। কতক্ষণ বন্ধ থাকবে মন্দির?

জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, মধ্যাহ্ন ভোগের পরই বন্ধ হবে মন্দিরের দরজা। বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মন্দির বন্ধ রাখা হবে। এই সময়ে জগন্নাথ দর্শন করতে পারবেন না ভক্তরা।

এদিকে ওড়িশার জগন্নাথ মন্দির-এর রত্নভাণ্ডার ঘিরে আবারও কৌতূহল বাড়ছে। মন্দিরের সোনা, রুপো, হিরে-সহ বিপুল সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হতেই সামনে এসেছে একাধিক পুরাণপ্রসিদ্ধ বিশ্বাস ও আচার।

বুধবার শুভক্ষণে রত্নভাণ্ডারের সামগ্রী ও পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু হয়। এই ধনভাণ্ডার বহুদিন ধরেই রহস্য ও আকর্ষণের কেন্দ্র। তবে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ করেন কে? কী কী রয়েছে সেখানে।

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রত্নভাণ্ডারের অধিষ্ঠাত্রী হলেন লক্ষ্মী। ‘শ্রীক্ষেত্র’ নামের মধ্যেই রয়েছে তাঁর উপস্থিতির ইঙ্গিত। ভক্তদের মতে, মন্দিরের সমস্ত ধন-সম্পদ তাঁরই আশীর্বাদে সুরক্ষিত। পুরাণ মতে, এই ধনভাণ্ডারকে রক্ষা করে ঐশ্বরিক সর্প বা ‘নাগ’।

বিশ্বাস করা হয়, লক্ষ্মীর দুই অনুচর সর্প, পদ্মা ও মহাপদ্মা, এই সম্পদের পাহারায় নিয়োজিত। এ কারণে অনেকেই মনে করেন, রত্নভাণ্ডারে সাপের উপস্থিতি একেবারেই অস্বাভাবিক নয়, বরং বিশ্বাসেরই অংশ। এছাড়া, রত্নভাণ্ডারের রক্ষক হিসেবে মানা হয় লোকনাথ মহাদেব-কে, যিনি ভগবান শিবের এক রূপ। পুরীর পুরুষোত্তম অঞ্চলে তাঁর মন্দিরও রয়েছে। লোকবিশ্বাস, তাঁর আশীর্বাদ ও তত্ত্বাবধানেই এই ধনভাণ্ডার সুরক্ষিত থাকে। রত্নভাণ্ডার খোলার সময় ‘স্নেক হেল্পলাইন’-এর প্রশিক্ষিত সাপুড়েদের মোতায়েন করা হয়েছিল, যাতে কোনও সরীসৃপ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। গণনার কাজ শুরু করার আগে নির্দিষ্ট বিধি মেনে জগন্নাথ ও লোকনাথ দেবের অনুমতি নেওয়া হয়। এই আচার মেনে তবেই ধনভাণ্ডারের দরজা খোলা হয়, যা মন্দিরের প্রাচীন রীতিরই অংশ।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement