Advertisement

PM speaks to Oman's Sultan: হরমুজ সঙ্কট মেটাতে তৎপর মোদী, ওমানের সুলতানের সঙ্গে বিশেষ আলোচনা PM-এর

ফোনালাপের পর মোদী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে জানান, এই আলোচনা ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমাতে একমাত্র পথ সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সংঘাত নয়, আলোচনার মাধ্যমেই স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:22 PM IST
  • আরব দুনিয়ায় ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াল ভারত।
  • এই প্রেক্ষাপটে ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক-এর সঙ্গে ফোনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আরব দুনিয়ায় ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াল ভারত। এই প্রেক্ষাপটে ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক-এর সঙ্গে ফোনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আঞ্চলিক সংঘাত, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের সুরক্ষা, এই তিনটি বিষয়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। পাশাপাশি, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

ফোনালাপের পর মোদী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে জানান, এই আলোচনা ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমাতে একমাত্র পথ সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সংঘাত নয়, আলোচনার মাধ্যমেই স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

আলোচনার সময় ওমানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনায় ভারত কড়া নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে, বিপদের মুখে বহু মানুষ—যাদের মধ্যে ভারতীয়রাও ছিলেন, নিরাপদে দেশে ফিরতে পেরেছেন, সে জন্য ওমান সরকারের ভূমিকাকে সাধুবাদ জানান মোদী। দু’দেশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ নৌ-পরিবহন বজায় রাখার পক্ষে মত দেয়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, গত এক সপ্তাহে তৃতীয় উপসাগরীয় দেশের নেতার সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে তিনি কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালেদ আল-হামাদ আল-মুবারক আল-সাবাহ এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নয়হান-এর সঙ্গেও কথা বলেন। প্রতিটি বৈঠকেই তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার উপর জোর দিয়েছেন।

এদিকে সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার নিচ্ছে। ইরানের ড্রোন হামলায় লোহিত সাগর সংলগ্ন সৌদি আরবের একটি তেলঘাঁটিতে আগুন লাগে। কাতারের এলএনজি স্থাপনায় বিস্ফোরণ এবং কুয়েতের তেল শোধনাগারেও অগ্নিকাণ্ডের খবর মিলেছে। পাল্টা হিসেবে ইজরায়েল ইরানের গ্যাসকেন্দ্র ও বুশেহর পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানে।

এই সংঘাতের সূত্রপাত হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর ইরান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। এরপর একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গোটা অঞ্চল অস্থির হয়ে ওঠে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী-তে নৌ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে তার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement