Advertisement

Ram Rahim Singh: রাম রহিমকে বেকসুর খালাস করল হাইকোর্ট, সাংবাদিক খুনের মামলায় রেহাই

পঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্ট অভিযুক্ত ডেরা সচ্চা সৌদা প্রধান বাবা রাম রহিমকে সাংবাদিক খুনের মামলায় রেহাই দিল। বেকসুর খালাস হলেও সে এখনই জেল থেকে মুক্তি পাবে না।

Aajtak Bangla
  • চণ্ডীগড় ,
  • 07 Mar 2026,
  • अपडेटेड 1:22 PM IST
  • বাবা রাম রহিমকে সাংবাদিক খুনের মামলায় রেহাই
  • বেকসুর খালাস করল পঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্ট
  • এখনই জেল থেকে মুক্তি পাবে না ডেরা প্রধান

পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট শনিবার ২০০২ সালের সাংবাদিক হত্যা মামলায় ডেরা সচ্চা সৌদা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংকে বেকসুর খালাস করেছে। বিশেষ CBI আদালত ২০১৯ সালে এই মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়ই হাইকোর্ট বাতিল করে দিল। 

তবে এই মামলায় রেহাই পেলেও গুরমিত রাম রহিম সিং আপাতত জেলেই থাকবে। কারণ দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের মামলায় ২০১৭ সালে তার ২০ বছরের সাজা হয়েছিল। সেই সাজাই সে এখন ভোগ করছেন। 

গুরমিত রাম রহিমেরআইনজীবী জিতেন্দর খুরানা জানান, পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট সাংবাদিক রাম চন্দর ছত্রপতি হত্যার মামলায় খালাস করে তার মক্কেলকে খালাস করেছে এবং গের সাজা বাতিল করেছে। 

২০১৯ সালে একটি বিশেষ CBI আদালত গুরমিত রাম রহিম সিং সহ আরও ৩ জন কুলদীপ সিং, নির্মল সিং এবং কৃষণলালকে রাম চন্দর ছত্রপতি হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (খুন) এবং ১২০-বি ধারা (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) অনুযায়ী মামলা হয় এবং আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 

পরে ডেরা প্রধান ওই রায়ের বিরুদ্ধে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে আপিল করেন। আদালত শুনানি শেষ করে আগেই রায় সংরক্ষণ করেছিল এবং শনিবার সেই রায় ঘোষণা করা হয়। 

রাম চন্দর ছত্রপতি হরিয়ানার সিরসা থেকে প্রকাশিত 'পুরা সচ' নামে একটি সংবাদপত্র পরিচালনা করতেন। ২০০২ সালের অক্টোবরে সিরসায় তাঁর বাড়ির বাইকে তাঁকে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তিনি মারা যান। 

ঘটনার আগে তাঁর পত্রিকায় একটি বেনামি চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল। যেখানে ডেরা সচ্চা সৌদা আশ্রমে নারী অনুসরণকারীদের যৌন শোষণের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। 

২০০৩ সালে ছত্রপতির পরিবার পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে আবেদন করে মামলাটি CBI-এর হাতে দেওয়ার দাবি জানায়। পরে তদন্তভার CBI-এর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ২০০৭ সালের জুলাই মাসে CBI চার্জশিট দাখিল করে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement