Advertisement

Jagannath Temple Ratna Bhandar: জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারে কী কী পাওয়া গেল? ৪৮ বছর পর গণনা ঘিরে চাঞ্চল্য

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারের রহস্য অবশেষে উন্মোচিত হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই সোনাদানা গণনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। কত হিরে-জহরত পাওয়া গেল?

জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে কত রত্ন? জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে কত রত্ন?
Aajtak Bangla
  • পুরী ,
  • 25 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:04 PM IST
  • জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে কত সোনাদানা?
  • গণনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে পুরীতে
  • কত হিরে-জহরত পাওয়া গেল?

অবশেষে উন্মোচিত হতে চলেছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের রহস্য। বুধবার বেলা ১২টা থেকে, শুভক্ষণ বেছে নিয়ে, রত্ন ভাণ্ডারের ধনরত্নের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হল। 

এদিন দুপুর ১২টা ৯ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের মধ্যে গণনা হয়। পুরীর মন্দিরের ঐতিহ্য অনুসারে, গয়না গণনা হয়। এর আগের গণনা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। ৪৮ বছর পর তার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। অর্থাৎ ফের জানা যাবে কত হিরে-জহরত, মণিমাণিক্য রয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের এই রত্ন ভাণ্ডারে। 

৪৮ বছর আগে ১২৮ কেজি সোনার গয়না এবং ২২১ কেজি রুপোর গয়না ছিল রত্ন ভাণ্ডারে। শ্রী জগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত কর্মীরা সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ঐতিহ্যবাহী ধুতি ও তোয়ালে পরে মন্দিরে প্রবেশ করেন। এরপর দুপুর ১২টা ৯ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত নির্ধারিত শুভ সময়ে গণনার প্রক্রিয়া চালান। শুধুমাত্র এই গণনা ও তালিকা তৈরির জন্য অনুমোদিত ব্যক্তিদেরই ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। 

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়া চলাকালীন দ্বাদশ শতাব্দীর এই ঐহিত্যবাহী মন্দিরের দৈনন্দিন পুজার্চনার উপর কোনও প্রভাব পড়বে না। ভক্তদের 'বহারা কথা' (মন্দিরের বাউন্ডারির বেড়া) থেকে দর্শন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এই সময়ে 'ভিত্রা কথা' এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। শ্রী জগন্নাথ মন্দির পরিচালনা কমিটির তৈরি করা SOP অনুযায়ীই যাচাই ও গণনা করা হবে। এই SOP রাজ্য সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এই অনুযায়ী, দৈনন্দিন পুজোয় ব্যবহৃত গয়না দিয়ে তালিকা তৈরির কাজ শুরু হবে। এরপর রত্ন ভাণ্ডারের বাইরের কক্ষ এবং সবশেষে ভিতরের কক্ষ খোলা হবে। 

সর্বশেষ তালকাটি ১৯৭৮ সালের ১৩ মে থেকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে নথিভুক্ত করা হয়েছিল। সে সময়ে ১২৮.৩৮ কিলো ওজনের ৪৫৪টি সোনার সামগ্রী এবং ২২১.৫৩ কিলো ওজনের ২৯৩টি রুপোর সামগ্রীর পাশাপাশি অংসখ্য মূস্যবান পাথর পাওয়া গিয়েছিল। যেখানে ১৯৭৮ সালের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে ৭২ দিন সময় লেগেছিল। কর্তারা বলছেন, এবার আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এটি আরও কম সময়ে সম্পন্ন হবে। 

Advertisement

গণনার সময়ে RBI কর্তরাও উপস্থিত। ২ জন বিশেষজ্ঞ জিনিসপত্র শনাক্তকরণে সহায়তা করছেন। প্রতিটি জিনিসের ডিজিটাল ছবি তোলা হচ্ছে। সোনার গয়না হলুদ কাপড়ে, রুপোর গয়না সাদা কাপড়ে এবং অন্যান্য জিনিস লাল কাপড়ে মুড়ে বিশেষ ভাবে প্রস্তুত করা ৬টি বাক্সে রাখা হচ্ছে। মন্দিরের সেবক, সরকারি ব্যাঙ্কের কর্তা, রত্নবিশেষজ্ঞ এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিরাও সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছেন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement