Advertisement

Purvanchal Expressway: আগামী সপ্তাহে খুলছে ভারতের দীর্ঘতম পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে! লাগবে না কোনও টোল ফি

বহু প্রতীক্ষিত পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে আগামী সপ্তাহে ১৬ নভেম্বর থেকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। ৩৪০.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ, এই ৬-লেনের এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশের দীর্ঘতম এক্সপ্রেসওয়ে। পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে উত্তরপ্রদেশের ৯টি জেলার মধ্য দিয়ে যাবে।

পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে উত্তরপ্রদেশের ৯টি জেলার মধ্য দিয়ে যাবে।পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে উত্তরপ্রদেশের ৯টি জেলার মধ্য দিয়ে যাবে।
Aajtak Bangla
  • লখনউ,
  • 11 Nov 2021,
  • अपडेटेड 4:19 PM IST
  • পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে আগামী সপ্তাহে ১৬ নভেম্বর থেকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
  • ৩৪০.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ, এই ৬-লেনের এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশের দীর্ঘতম এক্সপ্রেসওয়ে।
  • পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে উত্তরপ্রদেশের ৯টি জেলার মধ্য দিয়ে যাবে।

বহু প্রতীক্ষিত পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে আগামী সপ্তাহে ১৬ নভেম্বর থেকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুপুর আড়াইটায় সুলতানপুরের কুদেভর এয়ারস্ট্রিপে পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করবেন। ৩৪০.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ, এই ৬-লেনের এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশের দীর্ঘতম এক্সপ্রেসওয়ে।

পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে লখনউ জেলার গোসাইনগঞ্জের কাছে চাঁদ সরাই গ্রামকে গাজিপুর জেলার NH-31-এ অবস্থিত হায়দারিয়া গ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এটি উত্তরপ্রদেশ এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (UPEIDA) তৈরি করছে।

পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে উত্তরপ্রদেশের ৯টি জেলার মধ্য দিয়ে যাবে (পশ্চিম থেকে পূর্বে)। যেমন, লখনউ, বারাবাঙ্কি, আমেঠি, সুলতানপুর, অযোধ্যা, আম্বেদকর নগর, আজমগড়, মৌ এবং গাজিপুর। ১৪ জুলাই ২০১৮-এ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

আরও পড়ুন

পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়েকে একটি পৃথক সংযোগ সড়কের মাধ্যমে বারানসী-আজমগড় হাইওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। UPEIDA গোরক্ষপুর লিঙ্ক এক্সপ্রেসওয়েও তৈরি করছে, যা গোরখপুর জেলার জৈতপুর গ্রামকে আজমগড় জেলার সালারপুর গ্রামের পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করবে।

১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ, ৪-লেনের চওড়া বক্সার-গাজিপুর এলিভেটেড রোড (বক্সারের ভারাউলি থেকে গাজিপুরের হায়দরিয়া পর্যন্ত) সম্পূর্ণ হলে উত্তর প্রদেশের লখনউ পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে এবং NH-922 দ্বারা বিহারের আরা এবং পাটনার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হবে।

এই এক্সপ্রেসওয়েটি বিমানের জরুরি অবতরণের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে। তাছাড়া, জরুরী পরিস্থিতিতে এটি ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেটগুলির বিমানটঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসে ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে। পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের মোট প্রকল্প ব্যয় ২২,৪৯৪ কোটি টাকা, যার মধ্যে জমি অধিগ্রহণের খরচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যাত্রীদের প্রাথমিক ভাবে কোনও টোল চার্জ দিতে হবে না। তবে কেন্দ্র আশা করছে যে, এই এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টোল হিসাবে বছরে ২০২ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement