Advertisement

তুলো নিয়ে কী 'খেলা' US-India Trade Deal-এ? বাংলাদেশ টেনে কেন্দ্রকে টার্গেট রাহুলের

India US trade deal textile tariff: ভারত-US চুক্তির গোড়ায় গলদ। নয়া চুক্তিতে ক্ষতির মুখের পড়বে ভারতের তুলো-টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি। মাঝখান থেকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির সমালোচনা করে এমনটাই বললেন রাহুল গান্ধী।

কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির সমালোচনা করে এমনটাই বললেন রাহুল গান্ধী। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির সমালোচনা করে এমনটাই বললেন রাহুল গান্ধী।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Feb 2026,
  • अपडेटेड 11:57 AM IST
  • ভারত-US চুক্তির গোড়ায় গলদ।
  • নয়া চুক্তিতে ক্ষতির মুখের পড়বে ভারতের তুলো-টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি।
  • কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির সমালোচনা করে এমনটাই বললেন রাহুল গান্ধী।

India US trade deal textile tariff: ভারত-US চুক্তির গোড়ায় গলদ। নয়া চুক্তিতে ক্ষতির মুখের পড়বে ভারতের তুলো-টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি। মাঝখান থেকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির সমালোচনা করে এমনটাই বললেন রাহুল গান্ধী। তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের নয়া ট্যারিফ নীতিতে আখেরে ভারতের কৃষকরাই চরম লোকসানের মুখে পড়বেন। ভারতের লাভজনক টেক্সটাইল সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা বিরোধী দলনেতার। 

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি এবং শুল্কনীতি নিয়ে লোকসভায় কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস নেতা। সম্প্রতি কার্পাস তুলোর সেক্টর নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তাঁর অভিযোগ, পোশাক রফতানিতে শুল্ক বৈষম্যের ফলে ভারতের তুলা চাষি এবং টেক্সটাইল শিল্প; দু’দিকই ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

রাহুলের দাবি,  আমেরিকা থেকে তুলো আমদানি করলেই বাংলাদেশ একটি বিশেষ সুবিধা পায়। সেক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানির করলে তাদের কোনও শুল্ক দিতে হয় না। অন্য দিকে নতুন US-India Trade Deal এ ভারতের পোশাক রফতানিতে ১৮ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা ঘোষণা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতি ভারতের শিল্প ও কৃষি; দুই সেক্টরই চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারে, আশঙ্কা রাহুলের।

কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, সংসদে এই বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। তার উত্তরে কেন্দ্রীয় সরকারের এক মন্ত্রী জানান; ভারতও বাংলাদেশের মতো সেই একই সুবিধা পেতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে ভারতকেও আমেরিকা থেকেই তুলো আমদানি করতে হবে। রাহুলের প্রশ্ন, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি এতদিন প্রকাশ্যেই আনা হয়নি। 

রাহুলের কথায়, এই নীতির ফলে তুলো চাষি আর টেক্সটাইল শিল্প, দুই দিকেই ক্ষতি হবে। ভারত যদি আমেরিকা থেকেই তুলো আমদানি শুরু করে, তা হলে এদেশের বিপুল সংখ্যক তুলো চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাঁরা ক্রেতা পাবেন না। আবার আমদানি না করলে তখন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি আমেরিকায় বিনা শুল্কে রফতানির সুবিধা পাবে না। ফলে দুই দিকেই লোকসান হবে, বিশ্লেষণ কংগ্রেস নেতার। 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ভারত থেকে বিপুল পরিমাণে তুলো আমদানি করে। কিন্তু এই নয়া নীতির ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ভারত থেকে তুলো আমদানি কমিয়ে দিতে পারে। তাতে ভারতের কৃষি ও শিল্প; দুই ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়তে পারে।

Advertisement

ভারতের টেক্সটাইল শিল্প এবং তুলো চাষের সঙ্গে কোটি-কোটি মানুষের রুজিরুটি জড়িত। ফলে এই ইন্ডাস্ট্রি মার খেলে চাকরির বাজারের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রাহুলের। 

কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, সরকার দূরদর্শী হলে এমন বাণিজ্য চুক্তি করত না। এই চুক্তি পুরোটাই আমেরিকার পক্ষে বলে দাবি রাহুলের।

সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-র নীতির সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের বাণিজ্যের সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

Read more!
Advertisement
Advertisement