Advertisement

Rajnath Singh: 'এক হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স...' কেন হঠাৎ এমন বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং?

শিক্ষিত মানুষের জঙ্গিযোগ নিয়ে নতুন করে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি শুক্রবার সতর্ক করে জানিয়েছে যে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে জঙ্গিযোগ বাড়ছে। আর সেটা সমাজের পক্ষে এবং ভারতের পক্ষে একদমই ভাল নয়। এই ধরনের জঙ্গিযোগকে তিনি 'হোয়াইট কালার টেরোরিজম' বলে দাগিয়েছেন।

রাজনাথ সিংরাজনাথ সিং
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 03 Jan 2026,
  • अपडेटेड 10:50 AM IST
  • শিক্ষিত মানুষের জঙ্গিযোগ নিয়ে নতুন করে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং
  • তিনি শুক্রবার সতর্ক করে জানিয়েছে যে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে জঙ্গিযোগ বাড়ছে
  • সেটা সমাজের পক্ষে এবং ভারতের পক্ষে একদমই ভাল নয়

শিক্ষিত মানুষের জঙ্গিযোগ নিয়ে নতুন করে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি শুক্রবার সতর্ক করে জানিয়েছে যে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে জঙ্গিযোগ বাড়ছে। আর সেটা সমাজের পক্ষে এবং ভারতের পক্ষে একদমই ভাল নয়। এই ধরনের জঙ্গিযোগকে তিনি 'হোয়াইট কালার টেরোরিজম' বলে দাগিয়েছেন।

আসলে ১০৪ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উৎসব পালন করছে ভোপালের নোবেল বিশ্ববিদ্যালয়। আর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ। সেখানে বক্তব্য রাখার সময়ই শিক্ষিতদের জঙ্গিযোগ নিয়ে আবার সরব হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

১০ নভেম্বর দিল্লি বিস্ফোরণের কথা তুলে তিনি নিজের মতামত জানান। তাঁর মূল বক্তব্য হল, এই হামলার পিছনে জড়িয়ে ছিল কিছু শিক্ষিত ডাক্তার। তাই শিক্ষাই যে ভাল মানুষ তৈরি করে, এর কোনও গ্যারান্টি নেই বলে মনে করেন তিনি।

কী বলেন রাজনাথ?

এ দিনের অনুষ্ঠানে হোওয়াট কলার টেরোরিজম নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন রাজনাথ। তিনি বলেন, 'দেশে এখন হোয়াইট কলার টেরোরিজমের ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। অত্যন্ত শিক্ষিত কিছু মানুষ সমাজের বিরুদ্ধে এবং দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে। দিল্লি হামলার নেপথ্যে থাকা জঙ্গিরা ছিল ডাক্তার- যাদের এক হাতে ডিগ্রি, আর পকেটে আরডিএক্স।'

এই প্রসঙ্গে বলা প্রয়োজন নভেম্বরে দিল্লির লালকেল্লার সামনের হামলায় সারা দেশে হইচই পড়ে যায়। সেই জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ১৫ জন। আর এই হামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে যে হোয়াইট কলার মোডিউল কাজ করেছে এর পিছনে। এরপর তারা মুজাম্মিল গানাই, আদিল রাঠের এবং শাহিনা সইদকে গ্রেফতার করে।

এই প্রসঙ্গে রাজনাথ বলেন, 'শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু জীবিকার ক্ষেত্রে এগিয়ে দেওয়া নয়, বরং মানুষের মধ্যে নীতি, আদর্শ এবং ব্যক্তিত্ব তৈরি করাও শিক্ষারই কাজ। কোনও শিক্ষা ব্যবস্থা যদি এই উদ্দেশ্য পূরণ করতে না পারে, ধর্মের (সঠিক কাজ বোঝাতে ধর্ম ব্যবহার করা হয়েছে) শিক্ষা দিতে পারে না, সেই ব্যবস্থা অসম্পূর্ণ।'

মন্ত্রীর মতে, কোনও মানুষের হাতে ডিগ্রি থাকলেই তিনি জ্ঞানী হয়ে যান না। অনেক শিক্ষিত মানুষের মধ্যেই নীতি বোধের অভাব থাকে।

Advertisement

তিনি আরও বলেন, 'আমি যখন ধর্মের কথা বলছি, তখন কোনও মন্দির, মসজিদ বা গির্জায় যাওয়ার কথা বলতে চাইছি না। ধর্ম বলতে সঠিক কাজ করার কথা বলতে চাইছি।'

আর তাঁর কথা দিয়ে এটা পরিষ্কার যে বর্তমান সরকার এই বিষয়টা নিয়ে খুবই চিন্তিত।

Read more!
Advertisement
Advertisement