Advertisement

'অলৌকিক শক্তি'র খেল দেখাত, সেই জ্যোতিষির অফিসে মিলল রিমোট-চালিত ২০ ফুটের সাপ

মহারাষ্ট্রের নাসিকে স্বঘোষিত ‘ধর্মগুরু’ অশোক খারাটকে ঘিরে চাঞ্চল্য আরও বাড়ল। তাঁর অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২০ ফুট লম্বা একটি রিমোট-নিয়ন্ত্রিত সাপ, যা দিয়ে তিনি তথাকথিত অলৌকিক ক্ষমতার ভান করে মানুষকে প্রভাবিত করতেন বলে অভিযোগ।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 01 Apr 2026,
  • अपडेटेड 5:11 PM IST
  • মহারাষ্ট্রের নাসিকে স্বঘোষিত ‘ধর্মগুরু’ অশোক খারাটকে ঘিরে চাঞ্চল্য আরও বাড়ল।
  • তাঁর অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২০ ফুট লম্বা একটি রিমোট-নিয়ন্ত্রিত সাপ, যা দিয়ে তিনি তথাকথিত অলৌকিক ক্ষমতার ভান করে মানুষকে প্রভাবিত করতেন বলে অভিযোগ।

মহারাষ্ট্রের নাসিকে স্বঘোষিত ‘ধর্মগুরু’ অশোক খারাটকে ঘিরে চাঞ্চল্য আরও বাড়ল। তাঁর অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২০ ফুট লম্বা একটি রিমোট-নিয়ন্ত্রিত সাপ, যা দিয়ে তিনি তথাকথিত অলৌকিক ক্ষমতার ভান করে মানুষকে প্রভাবিত করতেন বলে অভিযোগ।

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া খারাতকে আদালত ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। দায়রা বিচারক বি.এন. ইচপুরানি আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত তাঁকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে তাঁকে নাসিক রোড সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়েছে।

এই মামলার সূত্রপাত ৩৫ বছর বয়সী এক মহিলার অভিযোগ থেকে। তিনি দাবি করেন, গত তিন বছর ধরে তাঁকে বারবার যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ১৮ মার্চ খারাত গ্রেফতার হওয়ার পর আরও একাধিক নারী তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেন। পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল।

বুধবার পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হলে তাঁকে আদালতে তোলা হয়। সেখানে সিট বিচার বিভাগীয় হেফাজতের আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করে। জানা গিয়েছে, অন্য একটি মামলায়ও তাঁকে শীঘ্রই আদালতে হাজির করা হবে।

এখনও পর্যন্ত নাসিকের সরকারওয়াড়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ১০টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত এবং দুটি প্রতারণার অভিযোগ। পাশাপাশি, সিট-এর কাছে ফোনে ১০০-রও বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে, যেগুলির তদন্ত চলছে।

তদন্তের স্বার্থে তাঁর ছেলে হর্ষবর্ধন খারাতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হলেও পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্ত্রী কল্পনা খারাতের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ, কারণ একটি প্রতারণার মামলায় তাঁর নামও জড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, খারাত নাসিকের সিন্নার এলাকায় একটি মন্দির ট্রাস্ট পরিচালনা করতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে জানা গেছে। সম্প্রতি SIT ও ফরেনসিক দল তাঁর অফিসে তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রমাণ সংগ্রহ করেছে, যা এই মামলাকে আরও জটিল করে তুলছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement