Advertisement

Siddaramaiah Shivakumar Breakfast: 'কোনও দ্বন্দ্ব ছিল না, হবেও না,' শিবকুমারের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট করার পর জানালেন সিদ্দারামাইয়া

কংগ্রেস হাইকমান্ডের নেতৃত্বে ব্রেকফাস্ট বৈঠক হল কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ব্রেকফাস্ট সেরেই যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করলেন সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার। তাঁদের বক্তব্য, কোনও দিনও দু'জনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল না, আর ভবিষ্যতে থাকবেও না।

সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের ব্রেকফাস্ট বৈঠক সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের ব্রেকফাস্ট বৈঠক
Aajtak Bangla
  • বেঙ্গালুরু ,
  • 29 Nov 2025,
  • अपडेटेड 11:47 AM IST
  • হাইকমান্ডের নেতৃত্বে ব্রেকফাস্ট বৈঠক হল কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে
  • যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করলেন সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার
  • কোনও দিনও দু'জনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল না, আর ভবিষ্যতে থাকবেও না, দাবি

কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি নিয়ে নাটকের মাঝেই সিদ্দারামাইয়ার বাসভবনে ব্রেকফাস্ট করতে পৌঁছলেন ডিকে শিবকুমার। চাপানউতরের মাঝেই শনিবার সকালে খোশমেজাজে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীকে। উল্লেখ্য, কংগ্রেস হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপের পরই ব্রেকফাস্ট টেবলে দেখা করতে রাজি হন তাঁরা। অন্তর্দন্দ্ব মিটিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তাঁদের। 

প্রাতঃরাশ সেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। একটি ছবি পোস্ট করেন দু'জনের। দেখা গিয়েছে, শিবকুমারের সঙ্গে টেবলে বসে প্রাতঃরাশ খাচ্ছেন সিদ্দারামাইয়া। প্লেটে রয়েছে উপমা, ইডলি এবং সম্বার। সঙ্গে লিখেছেন, 'উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের সঙ্গে বসে ব্রেকফাস্ট করলাম। সংক্ষিপ্ত বার্তালাপও হয়েছে তাঁর সঙ্গে।' ব্রেকফাস্ট বৈঠকের পরই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেন তাঁরা। 

শিবকুমার বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে কর্নাটকের ভবিশষ্যতের রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।' পাশাপাশি ২০২৮ সালের নির্বাচন নিয়েও নানা কথাবার্তা হয়েছে বলে জানান সিদ্দারামাইয়া। কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপালের নির্দেশেই এই ব্রেকফাস্ট বৈঠকের আয়োজন করেন তিনি, জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সকলের উদ্দেশে স্পষ্ট ভাবে বলেন, 'আমাদের দু'জনের মধ্যে কোনও দিনই মতানৈক্য ছিল না। মতভেদে নেই এবং থাকবেও না। ইচ্ছাকৃত ভাবে বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।'

জানা গিয়েছে, ডিকে শিবকুমার এই ব্রেকফাস্ট বৈঠকের পরই দিল্লিতে উড়ে যাবে দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং সাংসদ রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। সিদ্দারামাইয়ার বাসভবন থেকে বেরনোর সময়ে অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি শিবকুমার। 

একদিকে, ডিকে শিবকুমার নিজেকে কংগ্রেসের অনুগত বলে দাবি করে জানিয়েছেন, দলের হাইকমান্ড কর্নাটকের প্রশাসনিক নেতৃত্ব নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই শিরধার্য হবে। যদিও সিদ্দারামাইয়া এই বিতর্ক নিয়ে নিশ্চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করেছেন।  শিবকুমারের অনুগামীদের দাবি, কর্নাটকে ক্ষমতায় আসার পরেই ঠিক হয়েছিল দুই নেতাই আড়াই বছর করে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাবেন। সিদ্দারামাইয়ার মুখ্যমন্ত্রী পদে আড়াই বছর শেষ হয়েছে অক্টোবরেই। এ বার শিবকুমারকে মুখ্যমন্ত্রী করার দাবি করছেন তাঁর অনুগামীরা। ঘটনাচক্রে, অক্টোবরেই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আড়াই বছরের মেয়াদ পূর্ণ করেছেন সিদ্দারামাইয়া। অনুগামীদেরল দাবি মানল সেক্ষেত্রে এবার শিবকুমারের পালা।

Advertisement

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসতে পারে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব- সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গের মতো নেতারা। সেই বৈঠকেই জট কাটতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তার আগে এই ব্রেকফাস্টের কৌশল কতটা কাজে দেয় সেটাই এখন দেখার। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement