Advertisement

Modi Mamata Draupadi Murmu: 'রাষ্ট্রপতির সফরে প্রোটোকল ভাঙেনি', সোশ্যালে নথি দেখালেন মমতা

Modi Mamata Draupadi Murmu: শনিবার শিলিগুড়ির অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রপতি আক্ষেপ করেছিলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী বা তাঁর কোনও প্রতিনিধি কেন তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি। এই প্রসঙ্গের জবাবে ধর্ণা মঞ্চ থেকে ক্ষুব্ধ মমতা বলেন, “আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, আপনাকে বিজেপির অ্যাজেন্ডা ফেরি করার জন্য বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপনি বিজেপির ফাঁদে পা দেবেন না।”

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে মমতার কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর, ধর্নামঞ্চ থেকে পাল্টা তোপ মমতাররাষ্ট্রপতি ইস্যুতে মমতার কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর, ধর্নামঞ্চ থেকে পাল্টা তোপ মমতার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Mar 2026,
  • अपडेटेड 11:36 PM IST

Modi Mamata Draupadi Murmu: শিলিগুড়িতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সফরের অব্যবস্থা এবং প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগ ঘিরে শনিবার সরগরম হয়ে উঠল রাজ্য রাজনীতি। কলকাতার ধর্ণা মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রপতির এই ‘ক্ষোভ’কে সরাসরি নস্যাৎ করে দিয়ে পালটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট দাবি, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘন হয়নি। বরং নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি পরিকল্পিতভাবে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে কাজে লাগিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে। মুখ্যমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় (ফেসবুক ও এক্স) এক কড়া পোস্টে সাফ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি নিজের রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা চরিতার্থ করতে চাইছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

শনিবার শিলিগুড়ির অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রপতি আক্ষেপ করেছিলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী বা তাঁর কোনও প্রতিনিধি কেন তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি। এই প্রসঙ্গের জবাবে ধর্ণা মঞ্চ থেকে ক্ষুব্ধ মমতা বলেন, “আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, আপনাকে বিজেপির অ্যাজেন্ডা ফেরি করার জন্য বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপনি বিজেপির ফাঁদে পা দেবেন না।”

এরপরই স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ বিষয়ে সমস্ত সীমা অতিক্রম করে ফেলেছেন। সাঁওতাল সংষ্কৃতির মতো বিষয়ে পশ্চিবঙ্গ সরকার এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।" সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, "রাষ্ট্রপতির পদাধিকার অনেক উপরে। তিনি রাজনীতির উর্ধ্বে, সেক্ষত্রে তাঁকে সম্মান করা কর্তব্য।"

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ৫ মার্চ জেলা প্রশাসন ও রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের মধ্যে সমন্বয় হয়েছিল। জেলা প্রশাসন আগাম সতর্ক করেছিল যে, আয়োজকরা (ইন্টারন্যাশনাল সান্তাল কাউন্সিল) বেসরকারি সংস্থা হওয়ায় প্রস্তুতিতে খামতি রয়েছে। তা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে শিলিগুড়ির মেয়র, জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনার তাঁকে অভ্যর্থনা ও বিদায় জানিয়েছেন। মঞ্চে বা ডাইস প্ল্যানে মুখ্যমন্ত্রীর থাকার কথাই ছিল না। মমতার প্রশ্ন, “বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে যখন আদিবাসীদের ওপর অত্যাচার হয়, তখন কেন আপনি চুপ থাকেন? মণিপুর নিয়ে কেন নীরব?” ভোটার তালিকায় ‘কারচুপি’র বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করতেই রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে এই ধরনের রাজনীতি করানো হচ্ছে।

Advertisement

 

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement