
অভিযোগ, নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার লিস্টে নাম উঠেছিল কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর। আর সেই মর্মে আদালতে দায়ের হয় রিভিশন পিটিশন। এবার এই মামলায় রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টে লিখিত জবাব জমা দিলেন সোনিয়া। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির শুনানিতে আদালত তাঁর কাউন্টার এফিডেভিটের কথা শুনবে বলে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, এই রিভিশন পিটিশন দায়ের করেছেন বিকাশ ত্রিপাঠী নামের এক আইনজীবী। ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি এই কাজটা করেছেন। আসলে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মেজিস্ট্রেট আদালত এই মামলা এবং তদন্তের দাবি খারিজ করে দেন। আর সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই দায়ের হয় রিভিশন পিটিশন।
এই পিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে সোনিয়া গান্ধী ১৯৮৩ সালের ৩০ এপ্রিল ভারতের নাগরিকত্ব পান। তবে ১৯৮০ সাল থেকে তাঁর নাম নয়াদিল্লির ভোটার তালিকায় রয়েছে। তাই এই পিটিশনে প্রশ্ন তোলা হয় যে কীভাবে একজন বিদেশি নারী ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার হয়ে গেলেন?
এখানেই শেষ নয়, পিটিশনারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে ১৯৮২ সালে আবার ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দেওয়া হয় সোনিয়ার নাম। আর এই বিষয়টা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পিটিশনার। তাঁর মতে, নিশ্চয়ই কোনও সমস্যা ছিল, তাই নাম বাদ দিতে হয়েছিল।
এছাড়া পিটিশনারের তরফ থেকে সোনিয়া গান্ধীর ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য ব্যবহৃত নথি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। তাঁর মতে, নিশ্চয়ই ভুয়ো ডকুমেন্টস দাখিল করে নাম তোলা হয়েছে। নইলে নাম তোলা সম্ভব ছিল না।
তবে এই মামলা খারিজ করে দিয়েছিল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। এখন সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই রিভিশন পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। আর সেই মামলাতেই নিজের বক্তব্য জানালেন সোনিয়া। তিনি লিখিত আকারে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁর আবেদন কোর্ট শুনবে বলে জানা যাচ্ছে। এখন দেখা যাক সেই শুনানিতে কী সামনে আসে।