Advertisement

House Help Salary: রান্নার লোক সহ গৃহকর্মীদের ন্যূনতম মাইনের আর্জি নাকচ, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

গৃহকর্মীদের ন্যূনতম বেতন বাঁধায় সায় নেই দেশের সর্বোচ্চ আদালতের। ট্রেড ইউনিয়নের আর্জি নাকচ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে ট্রেন ইউনিয়নকেই কার্যত ভর্ৎসনা করল দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কী কী কারণে এই আর্জি নাকচ করল সুপ্রিম কোর্ট?

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 30 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:47 PM IST
  • গৃহকর্মীদের ন্যূনতম বেতন বাঁধার আর্জি নাকচ
  • ট্রেন ইউনিয়নকেই কার্যত ভর্ৎসনা করল দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ
  • কী কী কারণে এই আর্জি নাকচ করল সুপ্রিম কোর্ট?

গৃহকর্মীদের ন্যূনতম মজুরি পাওয়ার মৌলিক অধিকার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল গৃহকর্মী সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়ন। কিন্তু সেই আবেদন নাকচ করে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবা দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঢ্চ জানিয়েছে, ন্যূনতম মজুরি বেঁধে দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে। ট্রেড ইউনিয়নগুলি এক্ষেত্রে প্রতিটি পরিবারকই মামলায় জড়িয়ে ফেলবে এবং তার ফলে গৃহকর্মী নিয়োগে অনীহা দেখা দেবে। এমনটাই আশঙ্কা বেঞ্চের। 

সামগ্রিক ভাবেও ট্রেড ইউনিয়নের ভূমিকা নিয়েও কড়া মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, 'আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে গৃহকর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক ন্যূনতম মজুরি না থাকলে সংবিধানপ্রদত্ত সমতা, বৈষম্যহীনতা এবং ন্যায্য কর্মসংস্থানের অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। কিন্তু ট্রেড ইউনিয়ন যেভাবে অতিসক্রিয় তাতে উল্টে গৃহকর্মীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।' 

এই মামলার শুনানিতেই দেশে শিল্পের গতি রুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে ট্রেড ইউনিয়ন অনেকাংশে দায়ী বলেও কড়া মন্তব্য করেছেন দেশের প্রধান বিচারপতি। বহু বনেদি শিল্প ইউনিয়নের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট। 

এদিকে, মামলায় আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী রাজু রামচন্দ্রন আর্জি জানান, সংবিধনারে ২১ ও ২৩ অনুচ্ছেদের অধীরে গৃহকর্মীদের ন্যূনতম মজুরি পাওয়ার মৌলিক অধিকার থাকা উচিত। ২০১৯ সালের ন্যূনতম মজুরির অধিকার আইনের আওতায় তাঁরা কেন পড়বেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের কল্যাণমূলক ব্যবস্থাপনার উদাহরণও দেন তিনি। আবেদনকারীরা ভুঁইফোড় নন, বরং নথিভুক্ত ট্রেড ইউনিয়ন। এ কথাও স্মরণ করান তিনি। তবে আদালত বিষয়টি রাজ্য সরকারের উপর ছেড়ে দিয়েছে। 

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, 'গৃহকর্মীদের জন্য কোনও সুরক্ষা নেই, এমনটা বলা সঠিক নয়।' একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে দেশের প্রধান বিচারপতি বলেন, 'সুপ্রিম কোর্ট দক্ষ কর্মী নেওয়ার জন্য একটি সংস্থাকে প্রতি কর্মী পিছু ৪০ হাজার টাকা করে দিয়েছিল। বাস্তবে দরিদ্র মেয়েরা হাতে পান মাত্র ১৯ হাজার টাকা। সব বড় শহরে এই জাতীয় সংস্থা রয়েছে। তারাই আসল শোষক।' কোর্টের আরও পর্যবেক্ষণ, লক্ষ লক্ষ পরিবার গৃহকর্মীদে পরিবারের অংশ হিসেবেই দেখে। সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ হলে এই সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement