Advertisement

ED vs Mamata Banerjee: সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা মমতা সরকারের, জারি নোটিস, ED-র বিরুদ্ধে FIR-এ স্থগিতাদেশ

I-PAC নিয়ে মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নোটিশ জারি করল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি দেশের সর্বোচ্চ আদালত ED-র বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR-এ স্থগিতাদেশ দিয়েছে। কী কী পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। রইল বিস্তারিত...

সুপ্রিম কোর্টে I-PAC মামলার শুনানিতে কী হল? সুপ্রিম কোর্টে I-PAC মামলার শুনানিতে কী হল?
Aajtak Bangla
  • 15 Jan 2026,
  • अपडेटेड 3:15 PM IST
  • সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মমতা সরকারের
  • ED অফিসারদের বিরুদ্ধে FIR-এ স্থগিতাদেশ
  • ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি

সুুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার I-PAC অফিসে তল্লাশি নিয়ে  ED আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা FIR-এ স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছে, বর্তমান আবেদনে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তদন্তে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। দেশের শীর্ষ আদালত জোর দিয়ে জানিয়েছে, আইনের শাসন বজায় রাখা এবং প্রতিটি সংস্থাকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা জরুরি। 

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

বৃহস্পতিবার I-PAC সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতিরা উল্লেখ করেন, এই মামলায় বৃহত্তর আইনগত প্রশ্ন জড়িত রয়েছে। সেগুলি নিষ্পত্তি না করে রাখা হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এবং এক বা একাধিক রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, কোনও সংস্থারই নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। তবে কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা যদি সৎ উদ্দেশ্যে কোনও গুরুতর অপরাধের তদন্তে কাজ করে, তাহলে দলীয় কাজের অজুহাতে সেই তদন্তের ক্ষমতা খর্ব করা যাবে না।

এই প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট নোটিশ জারি করেছে সব পক্ষকেই এবং ৩ দিনের মধ্যে জবাবদিহির নির্দেশ দিয়েছে।

CCTV সংরক্ষণের নির্দেশ

সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, তল্লাশি সংক্রান্ত যে সমস্ত CCTV ফুটেজ ও অন্যান্য স্টোরেজ ডিভাইসে রেকর্ডিং রয়েছে, সেগুলি সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। বিচারপতি পিকে মিশ্র আরও নির্দেশ দেন, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ED আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা FIR স্থগিত থাকবে।

সিনিয়র আইনজীবী অভিষেক সিংভি আবেদন জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া যেন কোনও ধরনের বলপ্রয়োগমূলক পদক্ষেপ ছাড়াই চালানো হয় এবং পুলিশ কড়া পদক্ষেপ করবে না, এমন নির্দেশ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি। এর জবাবে আদালত জানায়, চাইলেই এই আদেশ দ্রুত দেওয়া যেত, কিন্তু দীর্ঘ শুনানি, বিস্তৃত যুক্তিতর্ক এবং কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে সব পক্ষের বক্তব্য বিস্তারিতভাবে নথিভুক্ত করা জরুরি ছিল। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মিশ্র বলেন, 'অন্য কোর্ট ১০ মিনিট শুনে নির্দেশ দেয়। আমরা তো আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। নোটিস জারি করতে রাজি হয়েছি।'

Advertisement

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement