Advertisement

Ramachandra Rao video: অফিসে মহিলাদের চুমু, যৌনতার VIDEO ভাইরাল, সাসপেন্ড সেই DGP

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, রামচন্দ্র রাওয়ের আচরণ অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (কনডাক্ট) রুলস, ১৯৬৮-এর রুল-৩ লঙ্ঘন করেছে। প্রাথমিক তদন্তে রাজ্যের মত, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে বরখাস্ত রাখা জরুরি।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 20 Jan 2026,
  • अपडेटेड 1:47 PM IST
  • ভাইরাল হওয়া একটি ‘অশ্লীল’ ভিডিও ঘিরে তীব্র বিতর্কের মধ্যেই কর্নাটক সরকার সাময়িক বরখাস্ত করল রাজ্যের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (সিভিল রাইটস এনফোর্সমেন্ট) পদে থাকা বর্ষীয়ান আইপিএস অফিসার কে রামচন্দ্র রাওকে।
  • সোমবার জারি করা বরখাস্তের নির্দেশে বলা হয়েছে, ডিউটির সময় নিজের দফতরের ভেতরে মহিলাদের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করে তিনি একজন সরকারি কর্মচারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছেন এবং এর ফলে রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া একটি ‘অশ্লীল’ ভিডিও ঘিরে তীব্র বিতর্কের মধ্যেই কর্নাটক সরকার সাময়িক বরখাস্ত করল রাজ্যের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (সিভিল রাইটস এনফোর্সমেন্ট) পদে থাকা বর্ষীয়ান আইপিএস অফিসার কে রামচন্দ্র রাওকে। সোমবার জারি করা বরখাস্তের নির্দেশে বলা হয়েছে, ডিউটির সময় নিজের দফতরের ভেতরে মহিলাদের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করে তিনি একজন সরকারি কর্মচারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছেন এবং এর ফলে রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিয়মভঙ্গের অভিযোগ
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, রামচন্দ্র রাওয়ের আচরণ অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (কনডাক্ট) রুলস, ১৯৬৮-এর রুল-৩ লঙ্ঘন করেছে। প্রাথমিক তদন্তে রাজ্যের মত, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে বরখাস্ত রাখা জরুরি। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (ডিসিপ্লিন অ্যান্ড আপিল) রুলস, ১৯৬৯-এর রুল–৪ অনুযায়ী সাবসিস্টেন্স অ্যালাউন্স পাবেন। তবে এই সময় রাজ্য সরকারের লিখিত অনুমতি ছাড়া তিনি সদর দফতর ছাড়তে পারবেন না।

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা
ঘটনাটি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। তিনি স্পষ্ট বলেন, 'কেউ যত বড় পদেই থাকুন না কেন, তদন্ত হবে এবং দোষ প্রমাণিত হলে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন।'
যদিও অভিযুক্ত আইপিএস অফিসার পুরো ভিডিওটিকেই ভুয়ো ও সাজানো বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভাইরাল হওয়া ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওটি আসলে তিনটি আলাদা ক্লিপ জুড়ে তৈরি, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হয়েছে।

‘ভিডিও ভুয়ো’, দাবি রামচন্দ্র রাওয়ের
ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. জি পরমেশ্বরের বাসভবনে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রামচন্দ্র রাও বলেন, “আমি হতবাক। ভিডিওগুলো সম্পূর্ণ ভুয়ো। যারা মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।” তবে ভিডিওটি তাঁর দফতরের ভেতরেই তোলা কি না, এই প্রশ্নের সরাসরি জবাব এড়িয়ে গিয়ে তিনি জানান, আট বছর আগে তিনি বেলাগাভিতে কর্মরত ছিলেন। ভিডিওর সঙ্গে বেলাগাভির যোগসূত্র কী, তা স্পষ্ট না করায় স্বরাষ্ট্র দফতরের অস্বস্তি আরও বেড়েছে।

Advertisement

আগেও বিতর্কে নাম
এটি রামচন্দ্র রাওয়ের প্রথম বিতর্ক নয়। ১৯৯৩ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার গত বছর আলোচনায় এসেছিলেন, যখন তাঁর সৎ মেয়ে, কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাওকে বেআইনি সোনা পাচারের মামলায় ডিরেক্টরেট অব রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স গ্রেফতার করে। সেই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হলেও পরে তাঁকে ক্লিনচিট দেওয়া হয় এবং তার পরই তিনি ডিজিপি (ডিসিআরই) পদে দায়িত্ব নেন।

তবে এবার সরকারি দফতরের ভেতরে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তদন্তের ফলাফলই ঠিক করবে, ভিডিওটি আদৌ সত্য না কি ভুয়ো-এবং এই ঘটনায় কর্নাটক প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement