Advertisement

Killer romance: দুই খুনির বিয়ে! জেলেই প্রেম, লিভ-ইন, এখন দুই আসামির গাঁটছড়া

অপরাধ, প্রেম আর চাঞ্চল্যের মিশেলে এই ঘটনা যেন সরাসরি কোনও নেটফ্লিক্স থ্রিলারের চিত্রনাট্য। রাজস্থানের কারাগারে বন্দি, দুটি পৃথক খুনের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক মহিলা ও এক পুরুষের প্রেম পরিণতি পেল বিয়েতে। সেই বিয়ের জন্যই দু’জনকে ১৫ দিনের প্যারোল মঞ্জুর করা হয়েছে।

দুই খুনির প্রেম।-ফাইল ছবিদুই খুনির প্রেম।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 23 Jan 2026,
  • अपडेटेड 2:13 PM IST
  • অপরাধ, প্রেম আর চাঞ্চল্যের মিশেলে এই ঘটনা যেন সরাসরি কোনও নেটফ্লিক্স থ্রিলারের চিত্রনাট্য
  • রাজস্থানের কারাগারে বন্দি, দুটি পৃথক খুনের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক মহিলা ও এক পুরুষের প্রেম পরিণতি পেল বিয়েতে।

অপরাধ, প্রেম আর চাঞ্চল্যের মিশেলে এই ঘটনা যেন সরাসরি কোনও নেটফ্লিক্স থ্রিলারের চিত্রনাট্য। রাজস্থানের কারাগারে বন্দি, দুটি পৃথক খুনের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক মহিলা ও এক পুরুষের প্রেম পরিণতি পেল বিয়েতে। সেই বিয়ের জন্যই দু’জনকে ১৫ দিনের প্যারোল মঞ্জুর করা হয়েছে।

কারাগারের এই চর্চিত প্রেমকাহিনির কেন্দ্রে রয়েছেন ৩১ বছরের প্রিয়া শেঠ এবং ২৯ বছরের হনুমান প্রসাদ। প্রিয়া শেঠ ২০২৩ সালের বহুচর্চিত ‘জয়পুর টিন্ডার-স্যুটকেস খুন’ মামলার অন্যতম আসামি। অন্যদিকে হনুমান প্রসাদ ২০১৭ সালে আলওয়ারে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হন, যেখানে এক ব্যক্তি, তার তিন ছেলে ও এক ভাগ্নেকে খুন করা হয়েছিল।

রাজস্থান হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে জেলা প্যারোল উপদেষ্টা কমিটি দু’জনেরই আবেদন মঞ্জুর করেছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বুধবার থেকেই তাঁরা ১৫ দিনের প্যারোলে জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আলওয়ার জেলার বরোদামেও গ্রামে, বরের জন্মস্থানে এই বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা। সূত্রের দাবি, রাজস্থানের সাঙ্গানের ওপেন জেলে সাজা ভোগ করার সময় প্রায় এক বছর ধরেই তাঁদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

প্রায় ছ’মাস আগে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক শুরু হয় এবং ওপেন জেলে থাকার সময় তাঁরা কার্যত লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। উল্লেখ্য, রাজস্থানের ‘ওপেন এয়ার ক্যাম্প রুলস, ১৯৭২’-এর আওতায় এই উন্মুক্ত কারাগার ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যেখানে নির্বাচিত বন্দিরা দিনের বেলা বাইরে কাজ করার সুযোগ পান এবং সন্ধেয় জেলে ফিরে আসেন।

প্রায় এক বছর আগে জয়পুর সেন্ট্রাল জেল থেকে দু’জনকেই সাঙ্গানের ওপেন জেলে স্থানান্তর করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। হনুমান প্রসাদের সহ-দোষী ছিলেন তাঁর তৎকালীন প্রেমিকা সন্তোষ শর্মা। প্রেমের সম্পর্কের জেরেই ২০১৭ সালে ওই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটে। সন্তোষ শর্মাও বর্তমানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত।

অন্যদিকে প্রিয়া শেঠের নাম জড়িয়ে রয়েছে টিন্ডারের মাধ্যমে পরিচিত ব্যবসায়ী দুষ্মন্ত শর্মাকে অপহরণ ও খুনের ঘটনায়। মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের পর তাঁকে খুন করা হয় এবং দেহ টুকরো করে স্যুটকেসে ভরে ফেলা হয়েছিল—যা গোটা দেশকে স্তম্ভিত করেছিল।

Advertisement

এই দুই দোষীর প্যারোল মঞ্জুরিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। দুষ্মন্ত শর্মা মামলায় ভুক্তভোগী পরিবারের আইনজীবী সন্দীপ লোহারিয়া জানিয়েছেন, তাঁরা এই সিদ্ধান্তকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করবেন। তাঁর অভিযোগ, প্যারোল মঞ্জুরির বিষয়ে পরিবারকে কিছুই জানানো হয়নি।

তবে কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, সমস্ত নিয়ম মেনেই প্যারোল দেওয়া হয়েছে। বাস্তব জীবনের এই ‘খুনি প্রেম’-এর গল্প এখন কৌতূহল ও ক্ষোভ, দু’টোরই জন্ম দিয়েছে জনমনে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement