Advertisement

Blue Dram Murder: নীল ড্রামে ভরে সিমেন্ট চাপা দিয়ে মারবে! আতঙ্কে স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী

মুসকানের মতোই নীল ড্রামে ভরে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে স্ত্রী। আর তাই আতঙ্কে স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী। মধ্যস্থতাকারীর কাছে গিয়েও কোনও লাভ হল না বুলন্দশহরের যুবকের। ঠিক কী ঘটেছিল?

রাজকুমার ও তাঁর স্ত্রী রাজকুমার ও তাঁর স্ত্রী
Aajtak Bangla
  • বুলন্দশহর ,
  • 20 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:03 PM IST
  • নীল ড্রামে ভরে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে স্ত্রী
  • আতঙ্কে স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী
  • ঠিক কী ঘটেছিল বুলন্দশহরে?

নীল ড্রামে ভরে সিমেন্ট চাপা দিয়ে মেরে ফেলবেন স্ত্রী। এই আতঙ্কে স্ত্রীকে পরপুরুষের হাতে তুলে দিলেন স্বামী। শোরগোল ফেলে দেওয়া এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে। 

মুসকান ও নীল ড্রামের চাঞ্চল্যকর ঘটনা এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে সকলকে। ২০২৫ সালে মিরাটের বাসিন্দা মুসকান তাঁর প্রেমিক সাহিলের সঙ্গে স্বামীকে হত্যা করে। তারপর সিমেন্ট ভর্তি একটি নীল ড্রামে লুকিয়ে রাখে মৃতদেহ। সেই ঘটনা সাড়া ফেলেছিল দেশজুড়ে। স্ত্রীর থেকে ঠিক একইরকমের হুমকি পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বুলন্দশহরের বাসিন্দা রাজকুমারও। পেশায় দিনমজুর রাজকুমার দৌলতপুর গ্রামে থাকেন। ৭ বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের ৬ মাসের একটি সন্তানও রয়েছে। 

রাজকুমারের দাবি, তাঁর স্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেছেন। প্রথমে প্রেমালাপ ছিল, তারপর নিয়মিত ফোনে কথা বলা, যা পরে গোপনে দেখা করা পর্যন্ত পৌঁছয়। রাজকুমার জানান, গত বছর জুলাই মাসে তাঁর স্ত্রী বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে বেরিয়ে যান। তবে পরে রাজকুমার জানতে পারে, তিনি প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানেই থাকতে শুরু করেন তাঁর স্ত্রী। 

এছাড়াও স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমিকের আপত্তিকর ছবিও দেখে ফেলেছিলেন রাজকুমার। ফেসবুকেও 'সিমেন্ট অ্যান্ড ব্লু ড্রাম' লেখা একটি পোস্ট নজরে পড়েছিল তাঁর। স্ত্রীকে বিবাহবিচ্ছেদের কথা বললে উল্টে তাঁকে নীল ড্রামের ভয় দেখানো হয় বলেও দাবি রাজকুমারের। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। 

বিষয়টি মহিলা মধ্যস্থতা সেলে পাঠানো হয়। যেখানে উভয় পক্ষকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডাকা হয়। রাজকুমার, তাঁর স্ত্রী এবং স্ত্রীর প্রেমিকও হাজির হয় কাউন্সেলিং সেশনে। মধ্যস্থতার সময়ে রাজকুমারের স্ত্রী স্পষ্ট জানান, তিনি তাঁর প্রেমিকের সঙ্গেই থাকতে চান। রাজকুমার তাই বিনা বাধায় এই সিদ্ধান্ত মেনে নেন। তিনি বলেন, 'নিজের জীবন রক্ষা করতেই এই সিদ্ধান্ত নিলাম।'

পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি শান্তিপূর্ণ ভাবে মেটানোর জন্য কাউন্সেলিংয়ের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে এই ঘটনায় কোনও ফৌজদারি মামলা করা হয়েছিল কি না, তা অফিশিয়ালি জানানো হয়নি পুলিশের তরফে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement