
প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন দু’জন। কিন্তু সেই দাম্পত্য সুখ টিকল মাত্র চার মাস। অভিযোগ, এই অল্প সময়ের মধ্যেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তরুণী, যার পরিণতি হল মর্মান্তিক মৃত্যু।
ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের কানপুরের। একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন সচিন সিং ও শ্বেতা সিং। চার মাস আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করেন তাঁরা। তবে দু’পক্ষের পরিবারই এই বিয়েতে রাজি ছিল না। সেই কারণেই আলাদা করে ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন দম্পতি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সচিন ও শ্বেতার পাশের ঘরেই ভাড়া থাকতেন দু’জন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া যুবক। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন শ্বেতা। স্ত্রীর আচরণে প্রথম থেকেই সন্দেহ ছিল শচীনের, কিন্তু কোনও প্রমাণ হাতে পাননি তিনি।
গত শুক্রবার সকালে গ্রামের বাড়ি যাবেন বলে ঘর ছাড়েন সচিন। স্ত্রীকে জানান, সেদিন রাতে তিনি ফিরবেন না। তবে সন্দেহের বশে রাতে হঠাৎই বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। অভিযোগ, ঘরে ঢুকে বেডরুমের দরজার ফাঁক দিয়ে তিনি এমন একটি দৃশ্য দেখেন, যা তাঁকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। তাঁর উপস্থিতি টের পেয়ে দুই যুবক পালিয়ে যায়।
এরপরই দম্পতির মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়। পুলিশের দাবি, সেই সময় রাগের মাথায় সচিন গলা টিপে স্ত্রীকে খুন করেন। ঘটনার পরদিন নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পুলিশ ইতিমধ্যেই সচিনকে গ্রেফতার করেছে। শ্বেতার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।