Advertisement

Iran War Effect: যুদ্ধের কারণে কোন কোন জিনিসের দাম বাড়তে পারে? দেখুন তালিকা

আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অব্যাহত। এর ফলে বিশ্ব বাজারে তেল ও গ্যাস সঙ্কট। এর প্রভাব শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আরও অনেক ক্ষেত্রে তা দেখা যাবে। আগামী দিনে অনেক গৃহস্থালি খাদ্য সামগ্রীর দাম বাড়তে পারে। প্রকৃতপক্ষে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সরবরাহে প্রভাবের ফলে পলিমারের দাম বাড়তে পারে। ভারতে আইওসিএল ২৫ মার্চ প্লাস্টিকের দাম বাড়িয়েছে, এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

যুদ্ধের প্রভাবযুদ্ধের প্রভাব
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 28 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:25 AM IST

আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অব্যাহত। এর ফলে বিশ্ব বাজারে তেল ও গ্যাস সঙ্কট। এর প্রভাব শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আরও অনেক ক্ষেত্রে তা দেখা যাবে। আগামী দিনে অনেক গৃহস্থালি খাদ্য সামগ্রীর দাম বাড়তে পারে। প্রকৃতপক্ষে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সরবরাহে প্রভাবের ফলে পলিমারের দাম বাড়তে পারে। ভারতে আইওসিএল ২৫ মার্চ প্লাস্টিকের দাম বাড়িয়েছে, এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

পলিমারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিশেষ করে প্যাকেটজাত খাদ্যদ্রব্য এবং বোতলের জল, জুস বা অন্যান্য সামগ্রীর দাম বাড়তে পারে, অন্যদিকে গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য প্লাস্টিকের জিনিসপত্র কিনতে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে।

ইরান যুদ্ধের কারণে কোন জিনিসের দামে প্রভাব
বিজনেস টুডে-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, কোম্পানি হোমোপলিমার পলিপ্রোপিলিন (PPH)-এর দাম প্রতি টনে প্রায় ৪,০০০ টাকা এবং কোপলিমারের দাম প্রতি টনে ৭,০০০ টাকা বাড়িয়েছে। এছাড়াও, পলিথিনের (পিই) দামও একই পরিমাণে, অর্থাৎ প্রতি টনে প্রায় ৭,০০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এই মাসে বেশ কয়েকবার দাম বেড়েছে, যার মধ্যে মার্চের ১, ৩ এবং ১১ তারিখে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এই মাসে পিভিসির দামও প্রতি টনে প্রায় ১৩,০০০ টাকা বেড়েছে। এর ফলে পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ ও লজিস্টিকস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্লাস্টিক শিল্পের আধিকারিকেরা বলছেন, এটি এখন দেশীয় পলিমারের দামকেও প্রভাবিত করছে।

মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবে বাড়বে বালতি-মগের দামও
পিপিএইচ থেকে পিই পর্যন্ত বিভিন্ন উপকরণ প্যাকেজিং, কন্টেইনার, বালতি, বোতল এবং আরও অনেক দৈনন্দিন সামগ্রীতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, কোম্পানিগুলো হয়তো তাৎক্ষণিক খুচরা মূল্যবৃদ্ধি এড়াতে পারে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচ সাধারণত ভোক্তাদের উপর বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এই পণ্যগুলোর দাম বাড়ানো যেতে পারে, অথবা এগুলোর মোড়ক কমানো যেতে পারে। ভারতের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্বল্পমূল্যের মোড়কে প্লাস্টিক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Advertisement

মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব ওষুধের উপরেও পড়বে!
শুধু যে প্লাস্টিকের বোতলে বিক্রি হওয়া প্যাকেটজাত খাদ্য ও পানীয়ই মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিতে রয়েছে তাই নয়, বরং ওষুধসহ স্বাস্থ্যখাতে ব্যবহৃত অনেক জিনিসের দামও বাড়তে পারে, কারণ সিরিঞ্জ, আইভি বোতল, ডায়াগনস্টিক কিট এবং ওষুধের প্যাকেজিং-এ পলিমার ব্যবহার করা হয়।

অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান মেডিকেল ডিভাইস ইন্ডাস্ট্রি (এআইএমইডি)-এর রাজীব নাথ বলেন যে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কারণে স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম অপরিহার্য উপাদান প্লাস্টিকের দাম ৫০-৬০ শতাংশ এবং প্যাকেজিং ও বিদ্যুতের খরচ ২০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, এর ফলে সিরিঞ্জ ও গ্লাভসের মতো পণ্যের মুনাফা কমে গেছে। তিনি বলেছেন যে এপ্রিলে দাম সংশোধন করা হতে পারে।

ওয়াদি সার্জিক্যালস প্রাইভেট লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা কে. অনিন্দিত রেড্ডি বলেছেন যে, ইরান যুদ্ধের কারণে নাইট্রাইল বুটাডাইন রাবার ল্যাটেক্স (এনবিআর)-এর মতো কাঁচামালের ঘাটতি ও উচ্চদামের ফলে বিশেষ করে নাইট্রাইল গ্লাভস উৎপাদন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর ফলে হাসপাতালগুলোতে গ্লাভসের দাম বাড়ছে এবং ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement