Advertisement

Uttar Pradesh: গায়েব তরুণী, ঘরে পড়ে জামাকাপড় আর সাপের খোলস, ‘নাগিন’ আতঙ্কে তোলপাড় গ্রাম

তদন্তের পর তরুণীর পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 10 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:52 PM IST
  • উত্তর প্রদেশের এক গ্রামে এক তরুণীর হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ঘিরে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক, কুসংস্কার আর অদ্ভুত গুজব।
  • তরুণীর ঘরে বিছানার ওপর কাপড়ে মোড়ানো প্রায় পাঁচ ফুট লম্বা সাপের খোলস পাওয়ার পরই গ্রামজুড়ে কানাঘুষা শুরু হয়, তিনি কি তবে ‘নাগিনে’ রূপান্তরিত হয়েছেন?

উত্তর প্রদেশের এক গ্রামে এক তরুণীর হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ঘিরে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক, কুসংস্কার আর অদ্ভুত গুজব। তরুণীর ঘরে বিছানার ওপর কাপড়ে মোড়ানো প্রায় পাঁচ ফুট লম্বা সাপের খোলস পাওয়ার পরই গ্রামজুড়ে কানাঘুষা শুরু হয়, তিনি কি তবে ‘নাগিনে’ রূপান্তরিত হয়েছেন? তবে পুলিশের তদন্তে স্পষ্ট হয়, ঘটনার নেপথ্যে কোনও অতিপ্রাকৃত বিষয় নয়, বরং পরিকল্পিত পালিয়ে যাওয়ার কাহিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের আউরাইয়া জেলায়। এক সকালে বাড়ি থেকে বের না হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। তারা তরুণীর ঘরে ঢুকে যে দৃশ্য দেখেন, তাতে চমকে যান সবাই। বিছানার উপর কাপড়ে সুন্দর করে মোড়ানো একটি সাপের খোলস পড়ে ছিল। সেই দৃশ্য ঘিরেই মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে নানা গুজব।

কেউ বলেছিলেন, তরুণী কোনও অজানা শক্তির শিকার হয়েছেন, আবার কেউ দাবি করেন, তিনি ‘নাগিন’ হয়ে গায়েব হয়েছেন। আতঙ্ক দ্রুত এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে পরিবার ১১২ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দিতে বাধ্য হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। প্রথমদিকে পরিবারের সদস্যরা বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি, ফলে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। তবে তদন্ত এগোতেই পুলিশ বুঝতে পারে, গোটা ঘটনাটি নিছক কাকতালীয় নয়।

পুলিশি অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই তরুণীর সঙ্গে একই গ্রামের এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দু’জনেই আগেভাগেই বাড়ি ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। সন্দেহ এড়াতে এবং ঘটনাটিকে রহস্যময় করে তুলতেই তরুণী ইচ্ছাকৃতভাবে সাপের খোলসটি কাপড়ে মুড়িয়ে নিজের বিছানায় রেখে যান।

ঘটনাস্থল সাজানোর পর তিনি চুপিচুপি প্রেমিকের সঙ্গে গ্রাম ছেড়ে চলে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ অজয় কুমার বলেন, 'পুরো ঘটনাটি সিনেমার মতো পরিকল্পিত। মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই সাপের খোলস ফেলে রাখা হয়েছিল। আমরা তরুণীর মোবাইল ফোন নজরদারিতে রেখেছি এবং তার অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।'

Advertisement

তদন্তের পর তরুণীর পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রামে ‘নাগিন’ সংক্রান্ত গুজব এখন অনেকটাই স্তিমিত। তবে প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে তরুণী ও তার সঙ্গীর খোঁজ চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনা গেলে গোটা ঘটনার পূর্ণ চিত্র সামনে আসবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement