Advertisement

Meghalaya violence: মেঘালয়ে স্থানীয় নির্বাচনে রক্তারক্তি, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মৃত ২, নামল সেনা

গারো হিলস অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার আবহে মেঘালয়ের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলায় বড়সড় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ভোরে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এবং জারি হয়েছে কারফিউ।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 11 Mar 2026,
  • अपडेटेड 2:36 PM IST
  • গারো হিলস অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার আবহে মেঘালয়ের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলায় বড়সড় হিংসার ঘটনা ঘটেছে।
  • মঙ্গলবার ভোরে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গারো হিলস অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার আবহে মেঘালয়ের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলায় বড়সড় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ভোরে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এবং জারি হয়েছে কার্ফু।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চিবিনাং এলাকায় আদিবাসী ও অ-আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পশ্চিম গারো পাহাড়ের পুলিশ সুপার আব্রাহাম টি সাংমা জানান, জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করার সময় নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালাতে বাধ্য হয়। গুলিতে নিহত দুইজনই চিবিনাং এলাকার বাসিন্দা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ১০ মার্চ মধ্যরাত থেকে পশ্চিম গারো পাহাড় জেলাজুড়ে কারফিউ জারি করেছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে সম্ভাব্য অশান্তি ঠেকাতে সেনাবাহিনীকে ডাকা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহেন্দ্র রাওয়াত জানান, বেসামরিক প্রশাসনের অনুরোধে সেনা কলাম মোতায়েন করা হয়েছে এবং এলাকায় ফ্ল্যাগ মার্চ করা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গারো হিলস কাউন্সিল নির্বাচনে অ-উপজাতিদের অংশগ্রহণকে ঘিরেই মূলত উত্তেজনার সূত্রপাত। পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় প্রশাসন ১০ মার্চ থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য পশ্চিম গারো পাহাড়ে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবা চালু রয়েছে।

এই অস্থিরতার সূত্রপাত হয় সোমবার। অভিযোগ, ফুলবাড়ির প্রাক্তন বিধায়ক এস্তামুর মোমিন তুরায় মনোনয়ন জমা দিতে গেলে বিক্ষোভকারীরা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় এবং লাঞ্ছিত করে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, অ-উপজাতিদের কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা অংশগ্রহণ করা উচিত নয়।

এদিকে, মেঘালয় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা এস্তামুর মোমিনের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, হামলার ঘটনার পর মোমিন একটি উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়েছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজিত করতে পারে। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Advertisement

অন্যদিকে, মেঘালয় হাইকোর্টে এই ইস্যুতে শুনানির সময় রাজ্য সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে মনোনয়ন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রধান বিচারপতি রেবতী মোহিতে ডেরে ও বিচারপতি ডব্লিউ ডিয়েংডোহের ডিভিশন বেঞ্চ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ১৭ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করেছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement