Advertisement

Parliament Session: 'মহিলা সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীর আসন ঘিরে ফেলেন...,' কেন শেষ মুহূর্তে ভাষণ ক্যানসেল করলেন মোদী?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আসন এদিন ঘেরাও করে ফেলেন মহিলা সাংসদরা, দাবি করেন ট্রেজারি বেঞ্চ। বুধবার লোকসভায় রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের জবাবি ভাষণ দিতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী। শাসকদলের সাংসদদের দাবি, বিরোধীরা আক্রমণ পর্যন্ত করতে পারতেন প্রধানমন্ত্রীকে। ঠিক কী ঘটে এদিন সংসদে?

সংসদে ঠিক কী হয়েছিল? সংসদে ঠিক কী হয়েছিল?
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 04 Feb 2026,
  • अपडेटेड 7:41 PM IST
  • মোদীর আসন ঘেরাও করে ফেলেন মহিলা সাংসদরা
  • বিরোধীরা আক্রমণ পর্যন্ত করতে পারতেন প্রধানমন্ত্রীকে!
  • দাবি করলেন শাসকদলের সাংসদরা

সংসদে বুধবার রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের জবাবি ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট পূর্বেই লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। বিরোধী সাংসদদরা ট্রেজারি বেঞ্চের সামনে হইচই শুরু করায় পাল্টা সরব হয় শাসকদলের সাংসদরাও। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় অধিবেশন মুলতুবি করে দেন কার্যনির্বাহী স্পিকার। 

BJP সাংসদ মনোজ তিওয়ারির দাবি, 'একাধিক বিরোধী মহিলা সাংসদ সংসদের ওয়েলে নেমে প্রধানমন্ত্রীর আসনের দিকে এগিয়ে আসেন। তাঁদের নিজস্ব সিটে ফিরে যাওযার অনুরোধ করছিলেন স্পিকার। কিন্তু কোনও তাঁরা সে কথা অগ্রাহ্য করেন।' মনোজ তিওয়ারির মতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সংসদ কক্ষে প্রবেশ করতে পারেননি। 

মনোজ তিওয়ারির গুরুতর অভিযোগ, 'প্রধানমন্ত্রী যেখানে বসেন, ওঁরা সেই জায়গা পর্যন্ত উঠে এসেছিলেন। ভয়ঙ্কর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। বিরোধী সাংসদদের অঙ্গভঙ্গি ছিল আক্রমণাত্মক। এতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এমনকী ওঁরা প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণও করতে পারতেন।'

বিরোধী সাংসদদের স্লোগান দিতে এবং সংসদের ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখানোর দৃশ্য ধরা পড়ে সংসদ টিভির ক্যামেরাতে। 'যা উচিত মনে হয় তাই করো' লেখা একটি বড় ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বিরোধী সাংসদরা। তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদরা বিক্ষোভের অগ্রভাগে ছিলেন। প্রতিবাদ তীব্র করেন কংগ্রেস সাংসদরা। তখন সংসদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং উপস্থিত ছিলেন না। 

ট্রেজারি বেঞ্চের কাছে উত্তপ্ত পরিস্থিতি
বিক্ষোভের সময়ে বিরোধী দলের কয়েকজন মহিলা সাংসদ ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে এগিয়ে BJP সাংসদ নিশিকান্ত দুবের সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। জয়তিমণি ও বর্ষা গায়কোয়াড় সহ কয়েকজন সাংসদকে নিশিকান্ত দুবের দিকতে এগোতে দেখা যায়। এরপর BJP-র মহিলা সাংসদরাও তাঁর দিকে এগিয়ে আসেন। যার ফলে অল্প সময়ের জন্য মুখোমুখি সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। 

স্পিকার অধিবেশন মুলতুবি ঘোষণা করার পরও হইচই থামেনি। সূত্রের খবর, অধিবেশন মুলতুবির পর কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলের মহিলা সাংসদরা আবার ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে এগিয়ে যান এবং প্রধানমন্ত্রীর আসনের দু'সারি পিছন পর্যন্ত পৌঁছে নিশিকান্ত দুবের দিকেই অগ্রসর হন। 

Advertisement

রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং অন্যান্য সাংসদদের পিছু হটতে অনুরোধ করতে দেখা যায়, কিন্তু মহিলা সাংসদরা এগিয়ে যেতেই থাকেন। পরে কংগ্রেস সাংসদ দীপেন্দর হুডা হস্তক্ষেপ করে উভয় পক্ষের সদস্যদের নিজ নিজ আসনে ফিরে যেতে বলেন।

বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া
কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা শাসক দলের পাল্টা জবাব দিয়ে অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী বিক্ষোভের ভয়ে সংসদে আসেননি। তাঁর বক্তব্য, 'তিনি ভয় পেয়েছিলেন, তাই সংসদে আসেননি।' তিনি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ও BJP সাংসদ নিশিকান্ত দুবেকেও কটাক্ষ করে বলেন, 'বুলেট ট্রেনের মতো পালিয়ে গিয়েছেন।'

সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ডিম্পল যাদব বলেন, 'আমরাও আশা করছিলাম যে প্রধানমন্ত্রী মোদী সংসদে এসে কথা বলবেন। কারণ বারাণসীর মণিকর্ণিকা ঘাট ভাঙা, এবং অহিল্যাবাই হোলকারের মূর্তি ভাঙচুরের মতো বিষয় আমাদের সামনে ছিল।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement