Advertisement

Yogi Adityanath: 'মহাপ্রলয় এলেও আর বাবরি মসজিদ তৈরি হবে না', কড়া বার্তা যোগীর

'যারা বাবরি কাঠামো ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন, তারা কখনও সেই স্বপ্ন পূরণ হতে দেখবেন না। রাম সকলের, কিন্তু কিছু সুবিধাবাদী মানুষ নিজেদের স্বার্থে তাঁকে ভুলে যায়। রাম মন্দির শুধুই একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি ভারতের চিরন্তন ঐতিহ্য ও সনাতন সংস্কৃতির প্রতীক।'

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 10 Feb 2026,
  • अपडेटेड 4:33 PM IST
  • উত্তরপ্রদেশের বারাবাঁকিতে এক জনসভা থেকে রামমন্দির ও বাবরি কাঠামো প্রসঙ্গে স্পষ্ট ও কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
  • তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তাপ ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের বারাবাঁকিতে এক জনসভা থেকে রামমন্দির ও বাবরি কাঠামো প্রসঙ্গে স্পষ্ট ও কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তাপ ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অযোধ্যায় যে জায়গায় আজ রামমন্দির দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে আর কোনও কাঠামো গড়ার কল্পনাও অবাস্তব। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, 'কেয়ামত পর্যন্তও বাবরি কাঠামো পুনর্নির্মাণ করা হবে না।'
রাম মন্দির নির্মাণ প্রসঙ্গে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, 'জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সরকার পূরণ করেছে। আমরা বলেছিলাম, রামলালা যেখানে ছিলেন, সেখানেই মন্দির তৈরি হবে। আজ সেই মন্দির বাস্তব। এই মন্দির কোটি কোটি ভক্তের বিশ্বাস, আস্থা ও ভারতীয় সংস্কৃতির গৌরবের প্রতীক।'

তিনি আরও বলেন, 'যারা বাবরি কাঠামো ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন, তারা কখনও সেই স্বপ্ন পূরণ হতে দেখবেন না। রাম সকলের, কিন্তু কিছু সুবিধাবাদী মানুষ নিজেদের স্বার্থে তাঁকে ভুলে যায়। রাম মন্দির শুধুই একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি ভারতের চিরন্তন ঐতিহ্য ও সনাতন সংস্কৃতির প্রতীক।'

মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, সনাতন ধর্ম ও ভারত একে অপরের পরিপূরক, দুটিকে আলাদা করা যায় না। দেশ ও সংস্কৃতির
আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'যারা আইন ভেঙে স্বর্গে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, তাদের স্বপ্ন কোনও দিন পূরণ হবে না। সরকার যা বলে, তাই করে। আইন ভাঙলে এমন শিক্ষা দেওয়া হবে, যা সাত প্রজন্ম মনে রাখবে।' তিনি আরও বলেন, 'যারা রামভক্তদের উপর গুলি চালায় বা রামের কাজে বাধা দেয়, তাদের জন্য সমাজে কোনও জায়গা নেই।'

২০১৭ সালের আগের পরিস্থিতির কথা টেনে এনে যোগী বলেন, 'তখন রাজ্যে প্রায়শই দাঙ্গা, কার্ফু ও নিরাপত্তাহীনতা ছিল। নারী, ব্যবসায়ী, কৃষক, কেউই নিরাপদ ছিলেন না। মন্দির, স্কুল, এমনকি বাড়িঘরও সুরক্ষিত ছিল না। আজ সেই পরিস্থিতি বদলেছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা শক্ত হয়েছে, নিরাপত্তার পরিবেশ ফিরে এসেছে।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement