পান্না : পান্না পরলে কেরিয়ারের প্রতি ফোকাস বাড়ে। জাতক, মনে শান্তি পান। ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারেন।
টাইগার্স আই : যারা ভয় পান, কোনও কিছুতে শক্তি খুঁজে পান না, কাজে উদ্যম কম, অলস তাঁদের জন্য টাইগার পাথর খুব উপকারী। বিশেষ করে যে কোন ব্যবসায়ীকে এ পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। কারন আর্থিক উন্নতিতে এ পাথর খুব উপকারী।
প্রবাল : এই পাথর পরলে সম্পদ বৃদ্ধি হয়। ভূসম্পত্তি লাভে, চর্মরোগ নিবারণে এবং বিরুদ্ধ মঙ্গল গ্রহের প্রতিকারার্থে সাহায্যকারী রত্ন হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
নীলা : এই পাথর খুব তাড়াতাড়ি দারিদ্র দূর করতে পারে। বলা হয় নীলা আমাদের ভাগ্যে রাজযোগ নিয়ে আসে। আমাদের জীবনে রাজযোগ এলে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ বুঝে উঠতে পারব এবং ভবিষ্যতের কিছু সঠিক নির্ণয়ও নিতে পারব।
চুনি পাথর : চুনি ধারণ করলে পজিটিভ এনার্জি শরীরে প্রবাহিত হয়। চিন্তাভাবনায় নেগেটিভ শক্তি দূর হয় এবং পজিটিভ এনার্জি আসে। চুনি পরলে মন শান্ত হয়। ভালো-মন্দের পার্থক্য করা যায়।
মুক্তো : যারা অকাররণ দুশ্চিন্তা করেন অথবা আকাশ কুসুম রচনা করা যাদের নেশা, তাঁরা মুক্তা ধারণ করে সুফল পেতে পারেন। এছাড়াও মুক্তো মনকে শান্ত করে। মুক্তা পাথর গর্ভপাত থেকে রক্ষা করে। যৌন রোগেও মুক্তা উপকার দেয়।
গোমেদ : সচরাচর জানুয়ারি মাসে জন্মগ্রহণকারীদের জন্য এই পাথর বেশি উপযোগী। রাহুর দশা যাদের চলে, তাদের মনে দ্বিধা দূর করার জন্য গোমেদ ধারণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। গোমেদ হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। জীবনে পজিটিভ এনার্জি এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনে গোমেদ।
হিরে : হিরের আংটি ধারণ করা হলে হলে প্রচুর ধন-সম্পত্তির মালিক হয়ে ওঠা সম্ভব হয়। তার সঙ্গে গাড়ি, বাড়ি, কাজকর্ম, দাম্পত্য জীবন প্রভৃতি নানা দিকে উন্নতির পথ প্রশস্ত হয়। তবে একটা জরুরী কথা মনে রাখতে হবে যে, এ সব কিছুই হওয়া সম্ভব হবে যখন হিরের আংটি মধ্যমায় ধারণ করা হবে।