
আর মাত্র কটা দিন। তার পর শুরু হতে চলেছে নতুন বছর, বঙ্গাব্দ ১৪৩০। পয়লা বৈশাখের আগে সকলেই চান, বছরটা যেন ভালো কাটে। আর বছর ভালো তখনই কাটে যখন হাতে থাকে টাকা পয়সা। মা লক্ষ্মীকে বলা হয় সম্পদ এবং ঐশ্বর্যের দেবী। দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ যে ব্যক্তি পান, তাঁর বাড়িতে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থের অভাব হয় না। ধন-সম্পদ উপার্জনের পাশাপাশি দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থাকা খুবই প্রয়োজন। মা লক্ষ্মীকে খুশি করার জন্য অনেক টোটকা ব্যবহার করেন অনেকে। জানলে অবাক হবেন, মা লক্ষ্মী আসার আগে কিছু ইঙ্গিত দেন। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে, মা লক্ষ্মী আসার আগে কয়েকটি ঘটনায় জানিয়ে দেন তিনি আশিস দিতে চলেছেন। লক্ষ্মী সদয় হলে অর্থ লাভের পাশাপাশি সুখ ও সমৃদ্ধি পাবেন।
পেঁচার দেখা- পেঁচাকে মা লক্ষ্মীর বাহন মনে করা হয়। এমতাবস্থায় হঠাৎ পেঁচা দেখতে পেলে তা শুভ বলে মনে করা হয়। এর মানে হল আর্থিক লাভের সঙ্গে শীঘ্রই সমৃদ্ধি আসছে।
ঝাঁট দেওয়া- জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে,সকালে ঘুম থেকে উঠে কাউকে ঝাঁট দিতে দেখাও শুভ বলে মনে করা হয়। এর অর্থ আপনি শীঘ্রই আর্থিক সুবিধা পেতে চলেছেন।
পাখির বাসা- জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, পায়রা ছাড়া অন্য কোনও পাখি যদি আপনার বাড়িতে বাসা বানায় এবং ডিম পাড়ে তবে তা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এর অর্থ আয়ের নতুন উৎস খুলতে চলেছে।
কালো পিঁপড়ে- জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে,বাড়ির মূল দরজায় কালো পিঁপড়ের ঝাঁক দেখতে পাওয়াও শুভ বলে মনে করা হয়। তা মা লক্ষ্মীর আগমনের সংকেত।
আখ- ভগবান গণেশের খুব প্রিয় আখ। তা মা লক্ষ্মীও খুব প্রিয়। হঠাউ কেউ আখ খেতে দিলে বা আখ খেতে ইচ্ছে হলে অর্থলাভের ইঙ্গিত।