
আচার্য চাণক্যের মতে, সকলেই সাফল্য অর্জন করতে পারে। সাফল্য অর্জনের জন্য সকলেই দৌড়য়। এই যাত্রায়, কিছু লোক এগিয়ে থাকে, আবার কিছু লোক পিছিয়ে থাকে। যারা এগিয়ে যায় তারা সর্বদা তাদের লক্ষ্য অর্জন করে। কিন্তু যারা পিছিয়ে থাকে তারা প্রায়শই চাপে ভোগে। তবে এর অর্থ ব্যর্থতা নয়। আসলে, কখনও কখনও দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করার পরেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করা যায় না। এই পরিস্থিতিতে, নেতিবাচকতা মনের মধ্যে ক্রমাগত বাস করে। এই আবেগ একজন ব্যক্তির চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করে এবং তার কর্মক্ষমতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এই পরিস্থিতিতে ইতিবাচকতা বজায় রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
আচার্য চাণক্য তাঁর নীতিমালায় এমন অনেক বিষয় উল্লেখ করেছেন, যা শিক্ষা দেয় যে পরাজয় সত্ত্বেও, একজন ব্যক্তি সাফল্যের উচ্চতা স্পর্শ করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, আপনি চাণক্যের এই বাণীগুলিও ধ্যান করতে পারেন, এটি জীবনে নতুন দিকনির্দেশনা এবং এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়। আচার্য চাণক্যকে একজন মহান পণ্ডিত হিসেবে গণ্য করা হয়, তিনি চাণক্য নীতি নামে একটি বই লিখেছেন, যেখানে মানব জীবন এবং তার সাফল্য এবং ব্যর্থতা সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই নীতিমালায় লক্ষ্য অর্জনের আগে একজন ব্যক্তির কী কী বিষয় মনে রাখা উচিত তার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
শিকারটি ছোট হোক বা বড়, সিংহ সর্বদা তার সর্বশক্তি দিয়ে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আচার্য চাণক্যের মতে, কোনও কাজ যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, তা সম্পন্ন করার জন্য একজনের সর্বশক্তি প্রয়োগ করা উচিত। যদি তা করেন, তাহলে ফলাফল আপনার পক্ষে হতে পারে।
একজন মানুষের সর্বদা সিংহ ও বগলার কাছ থেকে একটি করে, মোরগের কাছ থেকে চারটি, কাকের কাছ থেকে পাঁচটি, কুকুরের কাছ থেকে ছয়টি এবং গাধার কাছ থেকে তিনটি গুণ শেখা উচিত। আচার্য চাণক্যের মতে, যদি এই পৃথিবীর প্রতিটি জিনিস এবং প্রতিটি জীব থেকে কিছু না কিছু শিখেন, তাহলে জীবনে সাফল্য, অগ্রগতি এবং উন্নয়ন সহজেই অর্জন করা সম্ভব।