Advertisement

First Chandra Grahan 2026: ছাব্বিশের প্রথম চন্দ্র গ্রহণ কবে? ভারত থেকে আদৌও দেখা যাবে?

চন্দ্র গ্রহণ হিন্দু ধর্মে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনা বলে মানা হয়ে থাকে। প্রতি বছর ৪টে করে গ্রহণ হয়, এই বছরও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে চলতি বছরে শুধু একটাই চন্দ্র গ্রহণ ভারত থেকে দেখতে পাওয়া যাবে।

২০২৬ সালের প্রথম চন্দ্র গ্রহণ২০২৬ সালের প্রথম চন্দ্র গ্রহণ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Jan 2026,
  • अपडेटेड 6:19 PM IST
  • চন্দ্র গ্রহণ হিন্দু ধর্মে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনা বলে মানা হয়ে থাকে।

চন্দ্র গ্রহণ হিন্দু ধর্মে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনা বলে মানা হয়ে থাকে। প্রতি বছর ৪টে করে গ্রহণ হয়, এই বছরও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে চলতি বছরে শুধু একটাই চন্দ্র গ্রহণ ভারত থেকে দেখতে পাওয়া যাবে। বছরের প্রথম চন্দ্র গ্রহণ হোলিকা বা ন্যাড়পোড়া, অর্থাৎ দোল পূর্ণিমার আগের দিন হতে চলেছে। এই গ্রহণ ভারত থেকে দেখা যাবে, তাই এর সূতক কালও ধরা হবে।

বছরের প্রথম চন্দ্র গ্রহণ কবে
ভারতীয় সময়ানুসারে, ৩ মার্চ এই গ্রহণ হতে চলেছে। দুপুর ৩টে ২০ মিনিট থেকে শুরু করে সন্ধে ৬টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত এই গ্রহণ থাকবে। ৩ ঘণ্টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত চলবে এই গ্রহণ। 

পেনুম্ব্রা পর্যায়: দুপুর ২:১৬ পর্যন্ত
উম্ব্রা পর্ব শুরু: দুপুর ৩:২১ পর্যন্ত 
উম্ব্রা পর্ব শেষ: সন্ধে ৬:৪৬ পর্যন্ত 
পেনুম্ব্রা পর্ব শেষ: সন্ধে ৭:৫২ পর্যন্ত 

চন্দ্র গ্রহণের সূতক সময়
এই চন্দ্রগ্রহণের সূতক কাল ৩ মার্চ সকাল ৬:২০ মিনিটে শুরু হবে এবং সন্ধে ৬:৪৬ মিনিট পর্যন্ত চলবে। শিশু এবং বয়স্কদের জন্য, সূতক কাল বিকেল ৩:২৮ মিনিট থেকে সন্ধে ৬টা ৪৬ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। 

ভারতের কোথায় কোথা দেখা যাবে
৩ মার্চ এই চন্দ্র গ্রহণ পশ্চিমবঙ্গের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাশাপাশি দেশের উত্তর-পূর্ব রাজ্য মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, আসাম এবং অরুণাচল প্রদেশেও দৃশ্যমান হবে। 

কোন রাশি ও নক্ষত্রে এই গ্রহণ হবে
২০২৬ সালের এই প্রথম চন্দ্রগ্রহণ ফাল্গুনের পূর্ণিমা তিথিতে, পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র এবং সিংহ রাশিতে ঘটবে। বিশ্বাস করা হয় যে এই গ্রহণ সিংহ রাশি এবং এই নক্ষত্রের অধীনে জন্মগ্রহণকারীদের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে। এই ধরণের ব্যক্তিদের গ্রহণের সময় কোনও জটিলতা এড়াতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

সূতক কাল কী
হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণের আগের সময়কালকে সূতক সময় বলা হয়। এই সময়কালকে অশুভ বলে মনে করা হয়। এই সময়কালে রান্না, খাওয়া, আচার-অনুষ্ঠান এবং শুভ কার্য সম্পাদন করা এড়িয়ে চলা হয়। মন্দিরের দরজাও বন্ধ থাকে। এই সময়ে শারীরিক ও মানসিক পবিত্রতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে, শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থদের সূতক নিয়ম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সূতক পালন ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে এবং রীতি-স্থানভেদে ভিন্ন হতে পারে। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement