
চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথি অনেকের কাছেই অত্যন্ত স্পেশাল। কারণ এদিন রয়েছে হনুমান জয়ন্তী। বিশ্বাস করা হয়, এদিন পবনপুত্র হনুমান জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাই এই দিনটি হনুমান জয়ন্তী এবং জন্মোৎসব হিসাবে পালিত হয়।
এদিন সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন মন্দিরে মন্দিরে ভক্তদের ঢল নেমেছে। ভক্তরা অত্যন্ত ভক্তি সহকারে হনুমানজীর পুজো করছেন। দর্শনের জন্য মন্দিরগুলিতে ভিড় জমে গিয়েছে। ভক্তরা বজরংবলীকে প্রসাদ নিবেদন করে তাঁর আশীর্বাদ প্রার্থনা করছেন। জ্যোতিষীদের মতে, হনুমান জয়ন্তীতে কিছু নির্দিষ্ট ভুল সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত। তাহলে চলুন সেই ভুলগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
কোনও পশু বা বাঁদর-হনুমানকে বিরক্ত করবেন না
হনুমান জয়ন্তীর দিনে কোনো পশু বা বানরকে বিরক্ত করা উচিত নয়। বিশ্বাস করা হয় যে, এমনটা করলে বজরংবলী ক্রুদ্ধ হবেন।
ভগবান রামকে উপেক্ষা করবেন না
হনুমান জয়ন্তীতে ভগবান রামকে বিশেষভাবে সম্মান জানানো উচিত। বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে ভগবান রামকে উপেক্ষা বা অসম্মান করা হলে হনুমানজী অসন্তুষ্ট হন। তাই বলা হয় যে শুধু হনুমানজীর পূজা করাই নয়, ভগবান রামের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
নুন এড়িয়ে চলুন
অনেকেই হনুমান জয়ন্তীতে উপোস করেন। তবে উপোস ভাঙার পর নুন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। পরিবর্তে, মিষ্টি খাবার দিয়ে উপোস ভঙ্গ করুন।
তামসিক জিনিস খাবেন না
হনুমান জয়ন্তীতে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। এই দিনে মাংস, মাছ, ডিম, পেঁয়াজ ও রসুন খাওয়া এড়িয়ে চলা শ্রেয়। বিশ্বাস করা হয়, তামসিক খাবার পরিহার করলে পুজোর সুফল বৃদ্ধি পায় এবং মন শান্ত থাকে।
কালো পোশাক পরবেন না
এই দিনে বজরংবলীর পুজো করার সময় কালো বা সাদা পোশাক পরবেন না। এর অত্যন্ত অশুভ ফল পেতে পারেন। পরিবর্তে, শুধুমাত্র লাল পোশাক পরে হনুমানজীর পুজো করুন।