
Holi Vastu Tips 2026: হিন্দু ধর্মে হোলি উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই দিনে পূজিত হন শ্রী কৃষ্ণ ও রাধা। বিশ্বাস করা হয়, হোলির পবিত্র সময়ে কিছু শুভ বস্তু ঘরে আনলে পারিবারিক অশান্তি ও আর্থিক সমস্যা অনেকটাই কাটতে পারে। বাস্তুশাস্ত্র মতে, বাড়িতে নির্দিষ্ট পাঁচটি জিনিস রাখলে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করে।
প্রথমেই রয়েছে আম বা অশোক পাতার মালা। হোলিকা দহনের দিন সকালেই বাড়ির প্রধান দরজায় আমপাতা বা অশোকপাতার মালা টাঙিয়ে দেওয়া শুভ বলে মনে করা হয়। কথিত আছে, মূল দরজায় এই পাতা থাকলে ঘরে নেতিবাচক শক্তি প্রবেশ করতে পারে না এবং সুখ সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
দ্বিতীয়ত, বাস্তু দেবতার ছবি বা মূর্তি ঘরে রাখা যেতে পারে। বাড়িতে বাস্তু ত্রুটি থাকলে হোলির দিন বাস্তু দেবের ছবি বা মূর্তি এনে বাড়ির যে কোনও উপযুক্ত স্থানে স্থাপন করলে তা শুভ ফল দেয় বলে বিশ্বাস। এতে গৃহস্থ জীবনে স্থিতি ও শান্তি আসে।
তৃতীয়ত, ধাতব কচ্ছপকে অত্যন্ত শুভ প্রতীক ধরা হয়। পাঁচ ধাতু দিয়ে তৈরি কচ্ছপ, যার পিঠে শ্রীযন্ত্র ও কুবের যন্ত্র খোদাই করা থাকে, তা উত্তর দিকে মুখ করে জলের পাত্রের উপর রাখলে অর্থভাগ্য বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্রে কচ্ছপকে স্থায়িত্ব ও সমৃদ্ধির প্রতীক বলা হয়েছে।
চতুর্থত, পিরামিডও বাস্তুশাস্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বাস করা হয়, বাড়ি বা অফিসে পিরামিড রাখলে আর্থিক উন্নতির পথ খুলে যায়। ভারতের বহু প্রাচীন মন্দির, বিশেষ করে দ্রাবিড় শৈলীতে নির্মিত মন্দিরগুলির বাইরের গঠন পিরামিড আকৃতির, যা সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
সবশেষে, বাঁশের চারা ঘরে আনা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। হোলির দিনে ড্রয়িং রুম বা হলঘরে সাত বা এগারোটি ডাঁটা যুক্ত বাঁশের চারা রাখলে সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায়। বিশ্বাস রয়েছে, যে বাড়িতে বাঁশ গাছ থাকে সেখানে সর্বদা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বর্ষিত হয় এবং দীর্ঘায়ু লাভ হয়।