
রাশিচক্রের ফেরে অনেক সময়েই বড়সড় প্রভাব পড়ে মানুষের জীবনে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি শনিদেবকেই ভয় পায় মানুষ। একবার শনির প্রকোপ শুরু হলে জীবনে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। অন্ধকারে ঢেকে যায় চারপাশ। এই সমস্যা থেকে বাঁচার উপায় কী? জবাব দিয়েছেন বৃন্দাবনের প্রেমানন্দ মহারাজ।
অনেকে শনির সাড়ে সাতি থেকে বাঁচতে ঘোড়ার নালের আংটি পরেন। এই আংটি নাকি শনির প্রভাব ঠেকাতে খুব কার্যকরী। কেউ কেউ আবার ঘোড়ার নাল বাড়ির দরজার সামনেও ঝুলিয়ে রাখেন। সেক্ষেত্রে কী টোটকা মেনে চলছে বলছেন প্রেমানন্দ মহারাজ?
ঘোড়ার নাল কতটা কার্যকরী?
শনির সাড়ে সাতি বা ঢাইয়া নিয়ে প্রচলিত ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলেছেন প্রেমানন্দ মহারাজ। ঘোড়ার নালের কোনও কিছুই কেনা উচিত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, ঘোড়ার নাল দিয়ে তৈরি আংটি পরে কী ভাবে কেউ নিজের দুঃখকে আটকাতে পারেন? যে জীব নিজেই চরম দুঃখের মধ্যে থাকে সে কখনও অন্যকে খুশি করতে পারে না।
কীভাবে মিলবে মুক্তি?
প্রেমানন্দ মহারাজ বলেন, 'শনির সাড়ে সাতি বা ঢাইয়া থেকে মুক্তি পাওয়া খুব সহজ। শনির প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে ঈশ্বরের নাম করুন। কাজ যেমন তেমন ফল দেন শনি দেব। তাই নিজের ব্যবহারে পরিবর্তন না আনলে, কোনও তেল মেখে বা আংটি পরে কোনও ভাবেই শনির প্রকোপ থেকে বাঁচা যায় না। মন থেকে ঈশ্বরকে স্মরণ করলে, তিনিও তাঁর ভক্তদের ভালো রাখেন।'
প্রেমানন্দ মহারাজ এটাও বার বার মনে করিয়ে দিয়েছেন, ঈশ্বরের নাম না করলে শনির প্রকোপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। মন প্রাণ দিয়ে ঈশ্বরকে স্মরণ করুন। তাহলেই মুক্তি সম্ভব, জানাচ্ছেন বৃন্দাবনের এই মহারাজ।