Advertisement

১৫ নাকি ১৬ ফেব্রুয়ারি, শিবরাত্রি কবে? পুজোর সঠিক সময় জানুন

চলতি বছর সর্বার্থ সিদ্ধি যোগে মহাশিবরাত্রি উদযাপিত হবে। ফাল্গুন মাসে শিবরাত্রির দিনেই এই সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ একেবারে বিরল। ফলে আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই বছরের শিবরাত্রি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এবছর মহা শিবরাত্রি কবে? পুজোর সঠিক সময় জানুনএবছর মহা শিবরাত্রি কবে? পুজোর সঠিক সময় জানুন
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 31 Jan 2026,
  • अपडेटेड 5:02 PM IST
  • চলতি বছর সর্বার্থ সিদ্ধি যোগে মহাশিবরাত্রি উদযাপিত হবে।
  • ফাল্গুন মাসে শিবরাত্রির দিনেই এই সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ একেবারে বিরল।
  • আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই বছরের শিবরাত্রি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

চলতি বছর সর্বার্থ সিদ্ধি যোগে মহাশিবরাত্রি উদযাপিত হবে। ফাল্গুন মাসে শিবরাত্রির দিনেই এই সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ একেবারে বিরল। ফলে আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই বছরের শিবরাত্রি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সনাতন ধর্মে মহাশিবরাত্রিকে একটি ঐশ্বরিক উৎসব হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে পারে। কিন্তু এই বছর শিবরাত্রি কবে রয়েছে? জ্যোতিষী ডঃ শ্রীপতি ত্রিপাঠী মহাশিবরাত্রির দিন, তারিখ, শুভ সময় ও মন্ত্র সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছেন।

এই বছর তিথি অনুযায়ী মহাশিবরাত্রি শুরু হচ্ছে ১৫ ফেব্রুয়ারি ফাল্গুনের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫:০৪ মিনিটে। অর্থাৎমহাশিবরাত্রি ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পালিত হবে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি উপোস ভাঙতে হবে ।

এই বছরের শিবরাত্রি কেন বিশেষ?

এই বছর মহাশিবরাত্রি শ্রাবণ নক্ষত্র এবং সর্বার্থ সিদ্ধির বিরল সংযোগে পড়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, যখন কোনও মহাপর্ব সিদ্ধ যোগের আওতায় পড়ে, তখন এই সময়ে করা জপ, তপস্যা, দান এবং উপাসনা অসাধারণ ফলাফল দেয়। সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ নিজেই এমন একটি যোগ যা আদতে সমস্ত কাজে সাফল্য নিয়ে আসে। তাই এই বিরল মহাশিবরাত্রি সংযোগ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কেন শিবরাত্রি পালন করা হয়?

পৌরাণিক বিশ্বাস অনুসারে, এই দিনে ভগবান শিব এবং দেবী পার্বতীর বিয়ে হয়েছিল। কঠোর তপস্যার পর দেবী পার্বতী শিবকে স্বামী হিসেবে লাভ করেন। এরপরই ত্যাগে ডুবে থাকা শিব পারিবারিক জীবন গ্রহণ করেন এবং জনকল্যাণের পথ গ্রহণ করেন। এই অনুষ্ঠানটি কেবল বিয়ের গল্প নয়। বরং প্রেম, ত্যাগ এবং নিষ্ঠার শীর্ষের প্রতীকও। এই কারণেই মহা শিবরাত্রিকে বৈবাহিক সুখ এবং পারিবারিক সুখ-শান্তির উৎসব হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement