Advertisement

স্বপ্নাদেশে সতীপীঠ ফুল্লরায় পুজোর প্রচলন করেন কাশীর সন্ন্যাসী, জানুন কাহিনী

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম (Birbhum) জেলায় যে কটি সতীপীঠ (Sati Pith) রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম লাভপুরের ফুল্লরা মন্দির (Fullara Temple)। কথিত আছে এখানে সতীর অধর অর্থাৎ নিচের ঠোঁট পড়েছিল। যদিও এই নিয়ে অবশ্য দ্বিমত রয়েছে। কেউ কেউ আবার বলেন পূর্ব বর্ধমানের অট্টহাসে রয়েছে সতীর অধঃওষ্ঠ বা নিচের ঠোঁট। সেই থেকেই নাকি নাম হয়েছে অট্টহাস। সারাবছর কমবেশি ভক্ত সমাগম হয় ফুল্লরা মন্দিরে। যদিও করোনা কালে ভক্তদের জমায়েতের ক্ষেত্রে বেশকিছু সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন মন্দিরের সেবাইত প্রণবকুমার উকিল। 

সতীপীঠ ফুল্লরাসতীপীঠ ফুল্লরা
প্রীতম ব্যানার্জী
  • লাভপুর,
  • 11 Nov 2020,
  • अपडेटेड 5:33 PM IST
  • সতীর অধর বা নিচের ঠোঁট পড়েছিল এখানে
  • কাশীর সন্ন্যাসী স্বপ্নাদেশে মা-কে প্রতিষ্ঠা করেন
  • এখানে দেবী জয় দুর্গা রূপে পূজিতা

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম (Birbhum) জেলায় যে কটি সতীপীঠ (Sati Pith) রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম লাভপুরের ফুল্লরা মন্দির (Fullara Temple)। কথিত আছে এখানে সতীর অধর অর্থাৎ নিচের ঠোঁট পড়েছিল। যদিও এই নিয়ে অবশ্য দ্বিমত রয়েছে। কেউ কেউ আবার বলেন পূর্ব বর্ধমানের অট্টহাসে রয়েছে সতীর অধঃওষ্ঠ বা নিচের ঠোঁট। সেই থেকেই নাকি নাম হয়েছে অট্টহাস। সারাবছর কমবেশি ভক্ত সমাগম হয় ফুল্লরা মন্দিরে। যদিও করোনা কালে ভক্তদের জমায়েতের ক্ষেত্রে বেশকিছু সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন মন্দিরের সেবাইত প্রণবকুমার উকিল। 

ফুল্লরা মন্দির

অন্যান্য সতীপীঠের মত এই স্থানকে ঘিরেও রয়েছে বহু গল্প ও কাহিনী। সেবাইত প্রণববাবু জানাচ্ছেন,"প্রাচীন কালে কাশীর মণিকর্ণিকা ঘাটে তপস্যা করার সময় মায়ের স্বপ্নাদেশ পান কৃষ্ণানন্দ গিরি নামে এক সন্ন্যাসী। স্বপ্নে ওই সন্ন্যাসীকে এই অঞ্চলে এসে তাঁর পুজো শুরু করার নির্দেশ দেন মা। তবেই মোক্ষলাভ হবে ওই সন্ন্যাসীর। সেই সময় এই অঞ্চল ছিল এক দ্বীপের মত। নির্দেশ পেয়ে এই স্থানে আসেন সন্ন্যাসী কৃষ্ণানন্দ গিরি। এরপর কোনও এক মাঘী পূর্ণিমায় জয় দুর্গা রূপে মায়ের দেখা পান তিনি। তারপর তিনিই মায়ের কথা চারিদিকে প্রচার করতে শুরু করেন।" প্রণববাবু আরও জানাচ্ছেন,"আগে মায়ের ২টি ছোট মন্দির ছিল। এটি হচ্ছে মায়ের তৃতীয় মন্দির। লাভপুরের জমিদার যাদবলাল বন্দ্যোপাধ্যায় মায়ের পুজো করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হন। তারপর তিনিই ১৩০২ বঙ্গাব্দে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে তখন মন্দির ছিল চুনসুড়কির। পরবর্তী কালে তা কংক্রিটে পরিণত করা হয়।" 

সারবছরই ভক্তদের আনাগনা থাকে মন্দিরে। ভক্তদের সুবিধার্থে পর্যটন দফতর একটি গেস্ট হাউসও তৈরি করে দিয়েছে এখানে। বর্তমানে মন্দিরের পরিচালন সমিতিই সেটি দেখাশোনা করে। এপ্রসঙ্গে প্রণববাবু জানাচ্ছেন,"করোনা পরিস্থিতিতে ভক্ত সমাগম কম। তবে সংক্রমণ ঠেকাতে রাখা হয়েছে স্যানিটাইজার। মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। মানা হচ্ছে দূরত্ব বিধি। পুজো দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে সামজিক দূরত্ব মেনেই।" এক্ষেত্রে আসন্ন দীপাবলিতেও এই সমস্ত সতর্কতা মেনে চলা হবে বলে জানাচ্ছেন তিনি। এমনকি কোনও ভক্ত মায়ের ভোগপ্রসাদ পেতে চাইলে সেখানেও নির্দিষ্ট বিধি মানা হবে বলেই জানাচ্ছেন প্রণববাবু। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement