
হাতে টাকা থাকলেই তা খরচ হয়ে যায়। তাই সেই টাকা ভাল জায়গায় বিনিয়োগ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সমস্যা হল, বিনিয়োগের অনেক জায়গা থাকলেও, ঠিক কোন জায়গায় টাকা রাখলে আপনি লাভবান হতে পারেন সেটা বুঝতে অনেক সময় ভুল হয়ে যায়। সে কারণেই ভুল জায়গায় বিনিয়োগ করে ফেলি আমরা। জেনে নিন পোস্ট অফিসের এই স্কিম।
পোস্ট অফিসের ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম বা টাইম ডিপোজিট এমনই একটি স্কিম। সহজ ভাষায়, এটিকে পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্টও বলা হয়। এই স্কিমে বিনিয়োগ কার আপনি কেবল সুদ থেকে ২ লক্ষ টাকার বেশি মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।
কত সুদ পাবেন?
পোস্ট অফিস টাইম ডিপোজিট অ্যাকাউন্টে বার্ষিক ভিত্তিতে সুদ দেওয়া হয়। প্রতি ৩ মাস অন্তর সুদ ক্যালকুলেশন করা হয়। এই স্কিমে, আপনি ১.২. ৩ এবং ৫ বছরের জন্য আপনার অর্থ বিনিয়োগ করতে পারবেন। এই স্কিমে ১ বছরের জন্য বিনিয়োগের উপর সুদের হার ৬.৯%। ২ এবং ৩ বছরের জন্য বিনিয়োগের সুদের হার ৭%। এই পোস্ট অফিস স্কিমটি নিশ্চিত রিটার্ন দেয়। শুধু তাই নয়, সেই রিটার্নের পরিমাণও বেশ ভাল। আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদী অর্থ বিনিয়োগ করতে চান, তাহলে আপনি FD অর্থাৎ টাইম ডিপোজিটকে বেছে নিতে পারেন। একটি ৫ বছরের FD আপনার বিনিয়োগকে তিন গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
কতদিন টাকা দিতে হবে?
পোস্ট অফিস ১ থেকে ৫ বছর মেয়াদের আমানতের অপশন দেয়। সুদের হার সেই অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। আপনি এতে যাই বিনিয়োগ করুন না কেন, আপনি কেবল সুদ থেকেই দ্বিগুণ পরিমাণ আয় করবেন।
মেয়াদ বাড়াবেন কীভাবে?
যদি আপনি আপনার আয় বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে আপনার FD বা টাইম ডিপোজিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আপনাকে এটির মেয়াদ বাড়াতে হবে। আপনাকে এই মেয়াদ বাড়ানোর জন্য পরপর দু'বার আবেদন করতে হবে। এর অর্থ হল আপনাকে এই FD ১৫ বছর ধরে চালাতে হবে।পোস্ট অফিসের এক বছরের এফডি মেয়াদপূর্তির তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বাড়ানো যেতে পারে। মেয়াদপূতির সময়সীমার ১২ মাসের মধ্যে ২ বছরের এফডির মেয়াদপূর্তির সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে। অন্যদিকে, ৩ বা ৫ বছরের এফডি মেয়াদ বাড়ানোর জন্য, মেয়াদপূর্তির সময়সীমার ১৮ মাসের মধ্যে পোস্ট অফিসকে জানাতে হবে।