
রবিবার পেশ হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেট। সেই বাজেটে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট ম্যানুফাকচারিং স্কিম বা বৈদ্যুতিক যন্ত্র তৈরির স্কিমে খরচ দ্বিগুণ করার প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। আগে যেখানে ২৩০০০ হাজার কোটি টাকা খরচ হতো, সেটা ৪০০০০ কোটি টাকা খরচ হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার এই ক্ষেত্রে খরচা বড়ানোর ফলে ভারতে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট তৈরির ইন্ড্রাস্ট্রি আরও বড় হবে। দেশের মধ্যে সাপ্লাই চেন বৃদ্ধি পাবে। শুধু তাই নয়, এই প্রকল্পের ফলে বিদেশি সংস্থারা ভারতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। খুলতে পারবেন নিজের ইউনিট।
কোন কোন ক্ষেত্রে হবে লাভ?
সব ধরনের ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেটের দামই কমতে পারে। বিশেষত, ফ্রিজ এবং এসি-এর দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া মাইক্রোওয়েভ থেকে শুরু করে টোস্টার, টিভির দাম কমতে পারে। শুধু তাই নয়, স্মার্টফোনও সস্তা হতে পারে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আর শুধু দাম কমাই নয়, এর একটা অন্য দিকও রয়েছে। আসলে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে বিরাট টাকা ঢালতে চলেছে সরকার। এর ফলে এই সেক্টরের উন্নতি হতে বাধ্য। যার ফলে সেখানে বিরাট সংখ্যায় কর্মসংস্থান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাতে দেশের যুবসমাজও এগিয়ে যাবে।
নিজের বাজেট বক্তৃতায় নির্মলা সীতারমন জানিয়েছেন যে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ২২৯১৯ কোটি টাকা বাজেট নিয়ে লঞ্চ করা হয় ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট ম্যানুফাকচারিং স্কিম। আর সেই প্রকল্পে খরচ বাড়িয়েছে সরকার। এই বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য ৪০০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। এই বিনিয়োগের ফলে ৪.৫৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রোডাকশন বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছে সরকার। আর এটা সত্যিই বড় খবর।
এই সব ইলেকট্রনিক্স পার্টস তৈরির কাজে আসবে বুস্ট
সরকার চাইছে যাতে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট বা বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ তৈরির কাজটা সহজ হয়। দেশে আরও বেশি সংখ্যায় তৈরি হোক এই সব সামগ্রী। আর সেই কারণে তারা টাকা ঢালছে। এক্ষেত্রে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে এই সব ইলেকট্রনিক্স পার্টস-
১. ডিসপ্লে মডিউল
২. সাব-অ্যাসেম্বলি ক্যামেরা মডিউল
৩. প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলি
৪. লিথিয়াম সেল এনক্লোজার
৫. রেজিস্টার
৬. ক্যাপাসিটর
৭. ফেরিটস ইত্যাদি
আর এই সব যন্ত্র ব্যবহার হয় স্মার্টফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, এসি, রেফ্রিজারেটর এবং টোস্টারে। তাই এই সব গ্যাজেটের দাম কমতে পারে।