
আজ বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আর সেখানে 'গ্রিন এনার্জি' মন্ত্রে আরও জোর দিলেন অর্থমন্ত্রী। এই বাজেটে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি থেকে শুরু করে বায়োগ্যাস বেসড সিএনজি নিয়ে বিশেষ কিছু ঘোষণা করা হয়েছে।
কী জানালেন নির্মলা?
এই বাজেটে সরকারের পক্ষ থেকে ইলেকট্রিক গাড়ি থেকে স্বদেশি ব্যাটারি এবং জ্বালানি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। আর নরেন্দ্র মোদী সরকারের এই ঘোষণার ফলে ব্যাটারি তৈরি থেকে শুরু করে ইলেকট্রিক গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা, অনেকেই সুবিধা পাবেন।
ব্যাটারি নির্মাতাদের ভাল সময় শুরু
এই বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী জানান, লিথিয়াম আয়ন সেল তৈরির জন্য যেই সব ক্যাপিটাল গুডস ব্যবহার করা হয় তাতে কাস্টম ডিউটি ছাড় আগামী অর্থবর্ষ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হল। এর ফলে দেশে লিথিয়াম ব্যাটারি প্রস্তুতকারী সংস্থাদের খরচ বেশ কিছুটা কমে যাবে। সস্তা হবে ব্যাটারি। এই কারণে ইলেকট্রিক গাড়ি এবং স্কুটারের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
মাথায় রাখতে হবে, একটি ইলেকট্রিক গাড়ির সবথেকে দামি জিনিসটি হল ব্যাটারি। এটির দাম মোটামুটি গাড়ির ৪০ শতাংশ হয়। আর সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কমে যাবে ব্যাটারির দাম। যার ফলে ইলেকট্রিক গাড়ির দামও হ্রাস পেতে পারে।
সিএনজি নিয়েও বড় ঘোষণা
নিজের বক্তৃতায় সিএনজি নিয়ে বিরাট বড় ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, এক্সাইজ ডিউটির হিসেব করার সময় বায়ো গ্যাসকে বাইরে রাখা হবে। যার ফলে গ্রিন ফুয়েলের দাম অনেকটাই কমে যেতে পারে। বাড়তে পারে এর ব্যবহার। কমে যেতে পারে পরিবহণ খরচ।
সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, এই সব প্রস্তাব বর্তমানে যেই সব নীতি রয়েছে, সেগুলিকে আরও মজবুত করবে। বিশেষত, প্রোডাকশন লিঙ্কড সেল ইনসেটিভ স্কিমের জন্য ব্যাটারি তৈরির ইকোসিস্টেমকে বৃদ্ধি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার মনে করে, এই সবের মাধ্যমেই ক্লিন এনার্জি এবং নতুন প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাবে দেশ।
সোলার গ্লাস এবং ক্রিটিক্যাল মিনিরেল নিয়েও হয়েছে ঘোষণা
সরকাররের তরফ থেকে জানান হয়েছে, সোডিয়াম অ্যান্টিমোনেট যা কি না সোলার গ্লাস তৈরিতে কাজে লাগে, তার আমদানির উপর থেকে তোলা হবে এক্সাইজ ডিউটি। শুধু তাই নয়, ক্রিটিক্যাল মিনারেল প্রক্রিয়াকরণে যেসব ক্যাপিটাল গুড প্রয়োজন, সেগুলির উপর থেকে ডিউটি তুলে নিচ্ছে সরকার। যার ফলে সোলার এবং ব্যাটারি ইন্ড্রাস্ট্রি এগিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।