Advertisement

Global Recession: খুব শীঘ্রই বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা? ভয়ঙ্কর সতর্কবার্তা প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদের

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ তো ছিলই। তারই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি। সব মিলিয়ে ক্রমেই এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে, আর মাত্র চার সপ্তাহ এই সংঘর্ষ চলতে থাকলে এক ভয়াবহ মন্দার কবলে পড়তে পারে গোটা বিশ্ব।

আর মাত্র চার সপ্তাহ এই সংঘর্ষ চলতে থাকলে এক ভয়াবহ মন্দার কবলে পড়তে পারে গোটা বিশ্ব।আর মাত্র চার সপ্তাহ এই সংঘর্ষ চলতে থাকলে এক ভয়াবহ মন্দার কবলে পড়তে পারে গোটা বিশ্ব।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:00 PM IST
  • ক্রমেই এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি।
  • মাত্র চার সপ্তাহ এই সংঘর্ষ চলতে থাকলে এক ভয়াবহ মন্দার কবলে পড়তে পারে গোটা বিশ্ব।
  • বিস্ফোরক দাবি করলেন অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের প্রধান অর্থনীতিবিদ তথা অ্যাক্সিস ক্যাপিটালের গ্লোবাল রিসার্চ হেড নীলকণ্ঠ মিশ্র।

Global Recession 2026: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ তো ছিলই। তারই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি। সব মিলিয়ে ক্রমেই এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে, আর মাত্র চার সপ্তাহ এই সংঘর্ষ চলতে থাকলে এক ভয়াবহ মন্দার কবলে পড়তে পারে গোটা বিশ্ব। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের প্রধান অর্থনীতিবিদ তথা অ্যাক্সিস ক্যাপিটালের গ্লোবাল রিসার্চ হেড নীলকণ্ঠ মিশ্র।

তাঁর মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট তৈরি করছে। এর ফলে বিশ্ব জিডিপি-র (GDP) চাকা স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে।

জ্বালানি সংকটের গ্রাসে ৭ শতাংশ পাওয়ার সাপ্লাই
সম্প্রতি সিএনবিসি টিভি১৮-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নীলকণ্ঠ মিশ্র জানান, বর্তমানে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ৭ শতাংশ সরাসরি এই যুদ্ধের কারণে প্রভাবিত। তিনি বলেন, 'এই পরিস্থিতি যদি আর চার সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে চলে, তাহলে বিশ্বজুড়ে এক বড় মাপের মন্দার সম্ভাবনা তৈরি হবে।' তাঁর ব্যাখ্যা, এই সংকটের ফলে যে শুধুমাত্র খনিজ তেলের দাম বাড়বে, তাই নয়। বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেনে প্রভাব পড়বে। 

নীলকণ্ঠ মিশ্রের মতে, বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহে যদি ৪ থেকে ৫ শতাংশ ঘাটতি দেখা দেয়, তাহলেই বিশ্ব জিডিপি-র ঠিক সমপরিমাণ অংশ ঝুঁকির মুখে পড়বে।

কেন? কারণ জ্বালানি না থাকলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে। জিনিসপত্রের দাম এমনই আকাশচুম্বী হয়ে যাবে যে সাধারণ মানুষ ব্যবহার কমাতে বাধ্য হবে।

শেয়ার বাজার এখনও শান্ত কেন?
বিশ্ব অর্থনীতিতে এত বড় আশঙ্কার মেঘ। তা সত্ত্বেও বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে এখনও তেমন প্রভাব দেখা দেয়নি। এমনটা  কেন? নীলকণ্ঠবাবুর মতে, অধিকাংশ শিল্পসংস্থা এবং দেশের কাছে এখনও কিছু পরিমাণ ইনভেন্টরি রয়েছে। তাছাড়া অনেকেই মনে করছেন যে, এই যুদ্ধ দ্রুত থেমে যাবে। কিন্তু তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, 'এই ইনভেন্টরি ভাণ্ডার চিরকাল থাকবে না। যত দিন এগোবে, সাপ্লাই চেন ততই বিপর্যস্ত হবে।'  

ভারতেও আঁচ: ক্ষতির মুখে বস্ত্র থেকে আবাসন শিল্প
এই যুদ্ধের প্রভাব যে কেবল খনিজ তেলের দামেই সীমাবদ্ধ নেই, তার প্রমাণ মিলছে ভারতের মাটিতেও। নীলকণ্ঠ মিশ্রের কথায়, 'সুরাটে এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের অভাবে টেক্সটাইলের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কার্বন ব্ল্যাক এবং এলএনজি-র সংকট তৈরি হয়েছে। ফেল অটোমোবাইল বা গাড়ি উৎপাদন শিল্পেও সাপ্লাই চেনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।'

Advertisement

যুদ্ধের শেষ কোথায়?
নীলকণ্ঠ মিশ্রের মতে, এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল ধরে চলা সম্ভব নয়। কারণ এত বেশি অর্থনৈতিক ক্ষতি কোনও দেশের পক্ষেই দীর্ঘ মেয়াদে বহন করা সম্ভব নয়। কিন্তু তার আগেই যদি কোনওভাবে জ্বালানি সঙ্কট আরও তীব্র পর্যায়ে চলে যায়, সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। অর্থাৎ এক কথায়, আগামী কয়েক সপ্তাহ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। এমনটাই মত বিশ্লেষকদের।  

Read more!
Advertisement
Advertisement