Advertisement

ভারত-ইউরোপ 'দোস্তি', BMW, মার্সিডিজের দাম হু হু করে কমবে, বড় ডিলের পথে

প্রায় ১৮ বছর ধরে আলোচনা চলার পরে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত করার পথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সোমবার দিল্লির কর্তব্যপথে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন  ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েনে।

১১০% থেকে কমে ৪০% হবে গাড়ির উপর কর১১০% থেকে কমে ৪০% হবে গাড়ির উপর কর
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 26 Jan 2026,
  • अपडेटेड 5:05 PM IST
  • ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত করার পথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
  • দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে।
  • ভারতীয় বাজারে ইউরোপ থেকে আমদানি করা গাড়ির উপরে ১১০ শতাংশ শুল্ক রয়েছে।

প্রায় ১৮ বছর পরে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত করার পথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সোমবার দিল্লির কর্তব্যপথে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন  ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েনে। মঙ্গলবার দু'জনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি  চূড়ান্ত হতে পারে।

এই চুক্তি হওয়ার ফলে ভারত সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আসা গাড়ির উপর আমদানি শুল্কে বিরাট কাঁটছাঁট করতে পারে। বর্তমানে ভারতীয় বাজারে ইউরোপ থেকে আমদানি করা গাড়ির উপরে ১১০ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্যচুক্তিতে তা ৪০ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে নয়া দিল্লির। 

তবে সব গাড়ির দাম নাও কমতে পারে।  একটি সূত্রের দাবি উল্লেখ করে রয়টার্সের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত সরকার ১৫,০০০ ইউরোর বেশি দামের গাড়ির উপর শুল্ক কমাতে রাজি হয়েছে। ১১০ শতাংশ থেকে কম কমিয়ে করা হবে ৪০ শতাংশ। এমনকী পরে এই কর ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে ভক্সওয়াগেন, মার্সিডিজ-বেঞ্জ এবং বিএমডব্লিউ- এর মতো ইউরোপীয় ব্র্যান্ডগুলির ভারতীয় বাজারে প্রবেশ সহজ হবে।

সূত্রের খবর উল্লেখ করে রয়টার্সের তরফে দাবি করা হয়েছে, মঙ্গলবারই ভারতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই চুক্তি ফাইনাল হতে পারে। তবে কোনও পক্ষই এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি। 

কেন এই চুক্তির ফলে গাড়ির দাম কমবে? বিষয়টি উদাহরণ দিয়ে বুঝে নেওয়া যাক। বর্তমানে, ইউরোপের ৪৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ ইউরোর দামের গাড়ি যখন ভারতে আসে, তখন তাদের উপর ১১০ শতাংশ করের কারণে মোট দাম আসল দামের প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। ফলে ভারতীয় নাগরিকদের কাছে এই গাড়ির দাম অত্যন্ত খরচসাধ্য হয়ে পড়ে। যদি আমদানি শুল্ক ৪০ শতাংশ রাখা হয়, তবে করের বোঝা অনেকাংশে কমে যাবে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement