Advertisement

Mamata Banerjee on Lakshmir Bhandar: 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ফেব্রুয়ারি থেকেই পাবেন,' বললেন মমতা, আরও কী কী জানালেন? বিস্তারিত

মমতার দাবি, বাংলার মানুষ আজ গর্ব করতেই পারে। কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য একটাও ঘোষণা নেই। পাঁচ বছর ধরে ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ। গ্রামীণ আবাস যোজনার টাকা আটকে রাখা হয়েছে। গ্রামীণ রাস্তা তৈরির টাকাও দিচ্ছে না কেন্দ্র।

অন্তর্বর্তী বাজেট নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়অন্তর্বর্তী বাজেট নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 05 Feb 2026,
  • अपडेटेड 5:24 PM IST
  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ফেব্রুয়ারি থেকেই পাবেন
  • বাংলার মানুষ আজ গর্ব করতেই পারে
  • গিগ ওয়ার্কারদের নিয়ে কী বললেন?

বিধানসভা ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেটে প্রত্যাশামতোই একেবারে দরাজ হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ একাধিক ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করলেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের পরে সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেট নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করলেন। বললেন, 'এই বাজেটে বাংলার মানুষের গর্ব করা উচিত। কেন্দ্র বাজেটে বাংলাকে কিছু দেয়নি।' একইসঙ্গে মমতার দাবি, গত ৫ বছরে রাজ্যে বেকারত্বের হার কমেছে ৪৫ শতাংশের বেশি।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ফেব্রুয়ারি থেকেই পাবেন

মমতার কথায়, 'আমরা ভোট আসছে বলে বললাম, পরে করলাম না, তা নয়। আমরা যা বলি, তা চালুও করি। আমরা প্রতিটা ইলেকশনের আগে যা বলি, তাই করি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ফেব্রুয়ারি থেকেই পাবেন। সিভিক, গ্রিন পুলিশ, আশাকর্মী থেকে শুরু করে প্যারা টিচার, শিক্ষাবন্ধু, আশারা মেয়েরা ও আইসিডিএস, সবার সাম্মানিক বাড়িয়েছি। আমি মনে করি ওদের মাতৃকালীন ছুটি পাওয়া উচিত। যদিও এটা সরকারি চাকরি নয়, এটা একটি প্রকল্প। ওরা একটা ইনসেন্টিভও পায়। ওরা বাড়তি কাজ করলেও আমরা টাকা দিই।'

বাংলার মানুষ আজ গর্ব করতেই পারে

মমতার দাবি, বাংলার মানুষ আজ গর্ব করতেই পারে। কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য একটাও ঘোষণা নেই। পাঁচ বছর ধরে ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ। গ্রামীণ আবাস যোজনার টাকা আটকে রাখা হয়েছে। গ্রামীণ রাস্তা তৈরির টাকাও দিচ্ছে না কেন্দ্র। একের পর এক প্রকল্পে টাকা বন্ধ, এমনকী সর্বশিক্ষা মিশনের বরাদ্দও আটকে রাখা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাজেটে বরাদ্দ আরও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থাতেও রাজ্য সরকার শুধু কথা বলে থেমে থাকেনি। তাঁর কথায়, 'আমরা যা বলি, তা করেও দেখাই। ইলেকশন বছর আসছে বলে ঘোষণা করে পরে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার রাজনীতি আমরা করি না। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বাড়তি টাকা ফেব্রুয়ারি থেকেই মানুষ পাবেন।'

গিগ ওয়ার্কারদের নিয়ে কী বললেন?

Advertisement

গিগ ওয়ার্কারদের প্রসঙ্গও মমতা টানলেন। জানালেন, গিগ ওয়ার্কারদের কোনও সামাজিক সুরক্ষা নেই। তাই রাজ্য সরকার আলাদা পোর্টাল তৈরি করবে, যাতে গিগ ওয়ার্কাররা সামাজিক সুরক্ষা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আওতায় আসতে পারেন। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্ত করতে কৃষকবন্ধু প্রকল্পে এবার ক্ষেতমজুরদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যারা অন্যের জমিতে চাষ করেন, তারা বছরে ২ হাজার করে মোট ৪ হাজার টাকা পাবেন।

মমতার কথায়,  '১ কোটি ৭২ লক্ষের বেশি মানুষকে দারিদ্রসীমার বাইরে নিয়ে আসা গেছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু হয়ে গেছে। রাজ্যে বহু তীর্থস্থান ও ধর্মীয় পরিকাঠামো তৈরি হচ্ছে। এখানে ছোট ছোট বাচ্চারা বিনা পয়সায় ব্যাগ পায়, বই পায়, মিড-ডে মিল পায়। সব ধর্মের মানুষই এই সুবিধা পান। অথচ বাংলার নাম হলেই ভোট কাটা, নাগরিকের অধিকার কেড়ে নেওয়ার কথা ওঠে। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হচ্ছে। এই অত্যাচার আজও চলছে।'


Read more!
Advertisement
Advertisement