Advertisement

Dearness Allowance : কালীপুজোর আগেই রাজ্যের কর্মীদের ডিএ ? শুভেন্দুর নয়া সিদ্ধান্তে খুশি সরকারি কর্মীরা

আগামী শুক্রবার ৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি। রাজ্যের লাখ লাখ সরকারি কর্মীদের আশা, সেদিনই রাজ্য সরকারের দায়ের করা SLP খারিজ করে মামলা ফেরত আসবে কলকাতা হাইকোর্টে। ফলে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দিতে বাধ্য হবে রাজ্য সরকার

ফাইল ছবি ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Oct 2023,
  • अपडेटेड 7:08 PM IST
  • আগামী শুক্রবার ৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি
  • তার আগেই বড় খবর সরকারি কর্মীদের জন্য

আগামী শুক্রবার ৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি। রাজ্যের লাখ লাখ সরকারি কর্মীদের আশা, সেদিনই রাজ্য সরকারের দায়ের করা SLP খারিজ করে মামলা ফেরত আসবে কলকাতা হাইকোর্টে। ফলে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দিতে বাধ্য হবে রাজ্য সরকার। সরকারি কর্মীদের এই আশার কারণ, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য। তিনি যে এই মামলা মোটেও হাল্কাভাবে নিচ্ছেন না তা কার্যত পরিষ্কার করে দিয়েছেন সাংবাদিক বৈঠকে। ডিএ-র দাবি আদায়ে বিজেপি সরকারি কর্মচারী পরিষদ জোর কদমে সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করবে তা কার্যত পরিষ্কার করে দিয়েছেন তিনি। 

শুভেন্দু অধিকারী জানান, 'ডিএ নিয়ে যে আন্দোলন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ করছে সেখানে আমাকে ডাকা হয়েছিল। আমি যেতে পারিনি। আমাদের তরফে রুদ্রনীল ঘোষ গিয়েছিলেন। তাঁরা মাঠে ময়দানে লড়ছেন। একইভাবে আমাদের সরকারি কর্মচারী পরিষদও সুপ্রিম কোর্টে লড়ছে। ৩ নভেম্বর মামলা আছে। আমাদের পক্ষ থেকে দুজন সিনিয়র আইনজীবী সেদিন থাকবেন সুপ্রিম কোর্টে। যাতে ডিএ মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি হয়। রাজ্য সরকার বারবার সিনিয়র আইনজীবীদের দাঁড় করিয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সেটা নিয়ে আমাদের কোনও বক্তব্য নেই। কারণ, সেটা সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত। তবে ৩ তারিখেই যাতে মামলার নিষ্পত্তি হয় সেজন্য আমরা সিনিয়র আইনজীবীদের দাঁড় করাব।' 

শুভেন্দুর এই বক্তব্যকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এই নিয়ে সরকারি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি দেবাশিস শীল বলেন, 'সরকারি কর্মচারী পরিষদের আইনজীবী হিসাবে বরাবর লড়ছেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী গুড্ডু সিং। আবার  ‘অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড’ উদ্যম মুখোপাধ্যায়। তাঁরা তো থাকবেনই। তাঁদের সঙ্গে এই মামলার শুনানিতে থাকতে পারেন বাঁশুরি স্বরাজ। এছাড়া আরও দুই আইনজীবী থাকছেন। তবে তাঁরা কারা সেটা এখনই জানাচ্ছি না। সেদিনই হয়তো জানতে পারবেন।' 

উল্লেখ্য এর আগে মীনাক্ষী আরোরা ও পাটোলিয়া সরকারি কর্মচারী পরিষদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়েছেন। তবে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগের  বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের হয়ে লড়েছিলেন মীনাক্ষী। ফলে তাঁকে ৩ তারিখ সরকারি কর্মীদের হয়ে দেখা যাবে না বলেই সরকারি কর্মচারি পরিষদ সূত্রে খবর। 

Advertisement

সরকারি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি দেবাশিস শীল বলেন, 'শুভেন্দু অধিকারী এর আগে বিধানসভাতেও বকেয়া ডিএ-র দাবি  জানিয়েছেন। তবে সরকার তাতে কর্ণপাত করেননি। তারা সুপ্রিম কোর্টে বারবার শুনানির তারিখ পিছিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। এই নিয়ে শীর্ষ আদালতে একাধিকবার মামলা পিছিয়েছে। তবে শুভেন্দুবাবু জানিয়েছেন তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন। তিনি আমাদের সঙ্গেই আছেন। ভবিষ্যতেও থাকবেন।' 

প্রসঙ্গত, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য। রাজ্যের যুক্তি, হাই কোর্টের সিদ্ধান্ত মেনে ডিএ দিতে হলে প্রায় ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। যা রাজ্য সরকারের পক্ষে এই মুহূর্তে বহন করা কঠিন। তবে পরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন সরকারি
কর্মীরা। 

এখন দেখার ৩ নভেম্বরের শুনানিতে কী হয়। সরকারি কর্মীদের আশা সেদিনই এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হবে। সরকারের আবেদব খারিজ করে কর্মীদের পক্ষে রায় দেবেন সুপ্রিম কোর্ট।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement